নবম শ্রেণির ভূগোল ৩য় ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র ও সাজেশন ২০২৬
Class 9 Geography 3rd Unit Test 2026 / Geography Suggestion 2026 PDF
Class 9 Geography 3rd Unit Test 2026 পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্ন, সংজ্ঞা, পার্থক্য, কারণ ও ফলাফল, ভৌগোলিক প্রক্রিয়া, মানচিত্রভিত্তিক প্রশ্ন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি ভালোভাবে অনুশীলন করা জরুরি। এই পোস্টে দেওয়া Class 9 Geography Question Answer 2026 এবং Geography Suggestion 2026 পরীক্ষার আগে দ্রুত Revision ও Practice করতে সাহায্য করবে।
Class 9 Geography Suggestion 2026 / ক্লাস 9 ভূগোল
এখানে Class 9 Geography Important Questions 2026 / নবম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্টের ভূগোল প্রশ্নপত্র, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর, সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, বড়ো প্রশ্ন, ভৌগোলিক তথ্য, মানচিত্রভিত্তিক প্রশ্ন এবং পরীক্ষার উপযোগী Suggestion দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও সহজে সম্পন্ন করতে পারবে। তবে শুধুমাত্র Suggestion-এর উপর নির্ভর না করে সম্পূর্ণ পাঠ্যসূচি ও পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়া উচিত।
Class 9 Geography Question Paper PDF 2026
যারা Class 9 Geography 3rd Unit Test Question Paper PDF, WBBSE Class 9 Geography Question Paper with Answers PDF অথবা Class 9 Geography 3rd Summative Evaluation 2026 / নবম শ্রেণির ভূগোল তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন 2026 খুঁজছো, তারা এই পোস্ট থেকে প্রয়োজনীয় প্রশ্নপত্র, প্রশ্নোত্তর, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির উপকরণ পেতে পারবে।
WBBSE Class 9 Geography 3rd Unit Test Question Paper with Answers | Geography Suggestion 2026 PDF
WBBSE Class 9 Geography 3rd Unit Test Question Paper with Answers 2026 এবং Geography Suggestion 2026 পরীক্ষার্থীদের Revision ও Practice-এর জন্য সহায়ক হবে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, উত্তর, সংজ্ঞা, পার্থক্য, ভৌগোলিক প্রক্রিয়া, মানচিত্রভিত্তিক প্রশ্ন এবং পরীক্ষার প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি একসঙ্গে পাওয়া যাবে।Class 9 Geography 3rd Unit Test Question Paper 2026, Nobom Shrenir Vugol Titiyo Sametive Test-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে ধারণা পেতে পারবে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি অনুশীলন করতে পারবে। WBBSE Class 9 Geography Question Paper 2026, Geography Question Answer 2026 এবং Geography Suggestion 2026 পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
Class IX Geography 3rd Unit Test Question Paper 2026
১। সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে পূর্ণবাক্যে উত্তর লেখঃ- ১ × ১৪
ক) বেডফোর্ড লেভেল পরীক্ষা করেন —
ওয়ালেস / জেমস কুক / ম্যাগেলান / কলম্বাস / রাসেল।
খ) হেলিওসেন্ট্রিক ধারণাতে বিশ্বাস করতেন —
অ্যানাক্সিম্যান্ডার / আর্যভট্ট / টলেমি / প্লেটো।
গ) পৃথিবীর মেরু রেখা কক্ষতলের সাথে হেলে আছে —
২৩⅓° / ৬৬⅔° / ৯০° / ০° কোণে।
ঘ) পৃথিবীর গড় আবর্তন বেগ —
১৬৭০ কিমি./ঘন্টা / ১২০০ কিমি./ঘন্টা / ৮৩৫ কিমি./ঘন্টা / ৯৮০ কিমি./ঘন্টা।
ঙ) সমুদ্রজলের হ্রাস বৃদ্ধির কারণে যে আলোড়ন হয় —
সমস্থিতিক / ইউস্ট্যাটিক / দুটোই / কোনোটিই নয়।
চ) ভূমধ্যসাগরীয় আলোকস্তম্ভ —
স্ট্রম্বোলি / ব্যারেন / মৌনালোয়া / কোনোটিই নয়।
ছ) ফেল্ডসপার খনিজের ওপর অধিক ক্রিয়াশীল রাসায়নিক আবহবিকার —
কার্বনেশন / অক্সিডেশন / হাইড্রেশন / হাইড্রোলিসিস।
জ) রাত্রি বারোটা কে বলা যাবে —
১২ A.M. / 12 P.M. / দুটোই / কোনোটিই নয়।
ঝ) করোনা ভাইরাসের প্রকোপ —
মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগ / আধা প্রাকৃতিক দুর্যোগ / প্রাকৃতিক দুর্যোগ / মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয়।
ঞ) অমিলটি খোঁজে লেখো —
ম্যাগনেটাইট / অ্যানথ্রাসাইট / হেমাটাইট / সিডেরাইট।
ট) পশ্চিমবঙ্গের আয়তনে বৃহত্তম জেলা —
পূর্ব মেদনীপুর / উত্তর দিনাজপুর / দার্জিলিং / দক্ষিণ ২৪ পরগনা।
ঠ) পশ্চিমবঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের নদী নয় —
তিস্তা / তোর্সা / জলঢাকা / ময়ূরাক্ষী।
ড) পশ্চিমবঙ্গের একক বৃহত্তম কৃষিভিত্তিক শিল্প —
খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প / পাট শিল্প / চিনি শিল্প / কাপড় শিল্প।
ঢ) ১ সেমিতে ১ কিমি. হলে R.F. হল —
১ : ১০০০০০ / ১ : ২৫০০০ / ১ : ৫০০০০ / ১ : ৮০০০০।
খ – বিভাগ
২। নীচের প্রশ্নগুলির নির্দেশমতো উত্তর দাও :- ১ × ২২
২.১ বাক্যটি শুদ্ধ হলে পাশে “শু” এবং অশুদ্ধ হলে পাশে “অ” লিখো : — (৬টি) ১ × ৬
ক) নিরক্ষরেখায় সূর্য প্রতিদিন লম্বকিরণ দেয়।
খ) আন্তর্জাতিক তারিখরেখার সর্বশেষ পরিবর্তন হয় ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে।
গ) গিরিজনি আলোড়নে ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়।
ঘ) প্লায়াকে কেন্দ্র করে বাজাদা সমভূমি গঠিত হয়।
ঙ) অ্যাটোমিক এনার্জি কমিশনের সদর দপ্তর দিল্লী।
চ) অস্ট্রেলিয়াতে প্রায়শই দাবানল ঘটে না।
ছ) গোর্গাবুরু হল অযোধ্যা পাহাড়-এর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
২.২ শূন্যস্থান পূরণ কর : — (৬টি) ১ × ৬
ক) প্রাচীনকালে মিশরে দূরত্ব মাপার একক ______।
খ) উষা ও গোধূলীর স্থায়িত্বকাল সবচেয়ে বেশি ______।
গ) প্রতিটি অক্ষরেখার কোণের সমষ্টি ______।
ঘ) ভগ্নযুগে সৃষ্ট কয়েকটি পর্বত পরস্পর সমান্তরালে অবস্থান করলে তাকে ______ বলে।
ঙ) বিদার অগ্ন্যুদ্গমের ফলে সৃষ্ট ভারতের মালভূমি ______।
চ) কোন স্থান ও তার প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য ______।
ছ) পশ্চিমবঙ্গের একটি বনভূমিহীন জেলা ______।
২.৩ নীচের প্রশ্নগুলির দু-এক কথায় উত্তর দাও : — (৬টি) ১ × ৬
ক) G.P.S. এর পুরো নাম কী?
খ) দক্ষিণ মেরু অপেক্ষা উত্তর মেরুতে সূর্যকে একটানা কতদিন বেশি দেখা যায়?
গ) সর্বাধিক সুনামি প্রবণ দেশটির নাম কী?
ঘ) কয়লার দুটি উপজাত দ্রব্যের নাম লেখ?
ঙ) পশ্চিমবঙ্গের প্রধান পেট্রোরসায়ন শিল্প কেন্দ্রটি কোথায় অবস্থিত?
চ) মানচিত্র অঙ্কন সম্পর্কিত শাস্ত্রকে কী বলে?
ছ) পৃথিবীর মেরু ব্যাস কত?
২.৪ বাম স্তম্ভের সঙ্গে ডান স্তম্ভ মেলাও :— ১ × ৪
বাম স্তম্ভ ডান স্তম্ভ
ক) জলবিষুব ১) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
খ) মহাবিষুব ২) ২১শে মার্চ
গ) কোলাঘাট ৩) পর্যটন কেন্দ্র
ঘ) শান্তিনিকেতন ৪) ২৩শে সেপ্টেম্বর
গ-বিভাগ
৩। নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর লেখো : — (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষ্যণীয়) ২ × ৬
ক) আধা প্রাকৃতিক দুর্যোগ কাকে বলে?
অথবা
অধিদিন কী?
খ) নিরপেক্ষ উপাদান কী?
অথবা
মৌসুমী বিস্ফোরণ কাকে বলে?
গ) খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প কাকে বলে?
অথবা
টোপোগ্রাফিকেল মানচিত্র কাকে বলে?
ঘ) দিগন্তরেখা কাকে বলে?
অথবা
জিয়য়েড কী?
ঙ) কোরিওলিস বল কাকে বলে?
অথবা
নিশীথ সূর্য কী?
চ) ক্যালডেরা কাকে বলে?
অথবা
হিউমিফিকেশন কী?
ঘ-বিভাগ
৪। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : — (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষ্যণীয়) ৩ × ৮
ক) দুর্যোগ ও বিপর্যয়ের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
অথবা
ভারতের কোন্ অঞ্চল কেন অধিক ভূমিকম্প প্রবণ?
খ) কাকে কেন ত্রাসের নদী বলা হয়?
অথবা
মানচিত্রে ব্যবহৃত তিন প্রকার স্কেল সম্পর্কে লেখ।
গ) পৃথিবীর সর্বত্র আবর্তনের বেগ সমান নয় কেন?
অথবা
কলকাতার অক্ষাংশ ২২°৩৪′ উত্তর বলতে কী বোঝ?
ঘ) কোথায় কেন যান্ত্রিক আবহবিকার অধিক পরিলক্ষিত হয়?
অথবা
কাকে কেন ভারতের খনিজ ভাণ্ডার বলে?
ঙ – বিভাগ
৫। নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : — (যে কোনো দুটি) ৫ × ২
ক) উদাহরণসহ তিন প্রকার পাতসীমানা সম্পর্কে লেখ।
খ) যে কোনো দু-প্রকার রাসায়নিক আবহবিকার সম্পর্কে লেখো।
গ) সকাল ৯টায় গ্রিনিচ থেকে প্রচারিত সংবাদ ‘A’ নামক স্থানে বেলা ৪টে ৩০ মিনিটে শোনা গেল। ‘A’ স্থানটির দ্রাঘিমা কত?
ঘ) চিত্রসহ পৃথিবীর অপসূর ও অনুসূর অবস্থান ব্যাখ্যা কর।
৬। নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : — (যে কোনো দুটি) ৫ × ২
ক) হুগলি নদীর উভয়তীরে পাট শিল্প গড়ে ওঠার কারণ লিখো।
Ans : - হুগলি নদীর উভয় তীরে পাট শিল্পের কেন্দ্রীভবনের কারণগুলি হল—
পশ্চিমবঙ্গের হুগলি নদীর উভয় তীরে পাট শিল্পের ব্যাপক কেন্দ্রীভবন ঘটেছে। এর প্রধান কারণগুলি হল—
১. কাঁচাপাটের সহজলভ্যতা: উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ প্রভৃতি জেলায় প্রচুর পাট চাষ হয়। ফলে পাটকলগুলিতে সহজেই পর্যাপ্ত কাঁচাপাট পাওয়া যায়।
২. বিদ্যুতের যোগান: নিকটবর্তী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং দামোদর ও ময়ূরাক্ষী প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত বিদ্যুতের সাহায্যে পাট শিল্পের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ হয়।
৩. কলকাতা বন্দরের নৈকট্য: কলকাতা বন্দরের মাধ্যমে শিল্পের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি এবং উৎপাদিত পাটজাত দ্রব্য বিদেশে রপ্তানি করা সহজ হয়।
৪. উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা: সড়ক, রেল ও জলপথের উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে কাঁচাপাট সংগ্রহ এবং উৎপাদিত পাটজাত দ্রব্য পরিবহন সহজ হয়েছে।
৫. হুগলি নদীর জল: পাটকলগুলিতে প্রয়োজনীয় প্রচুর জল সহজেই হুগলি নদী থেকে পাওয়া যায়।
৬. আর্দ্র জলবায়ু: হুগলি নদী সংলগ্ন অঞ্চলের আর্দ্র জলবায়ু পাট শিল্পের পক্ষে অনুকূল।
৭. সুলভ শ্রমিক: পশ্চিমবঙ্গ এবং পার্শ্ববর্তী বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে সহজেই প্রচুর শ্রমিক পাওয়া যায়।
৮. বাজারের চাহিদা: দেশে ও বিদেশে পাটজাত দ্রব্যের যথেষ্ট চাহিদা থাকায় এই অঞ্চলে পাট শিল্পের প্রসার ঘটেছে।
৯. মূলধনের যোগান: কলকাতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও ব্যাঙ্কিং কেন্দ্র হওয়ায় পাট শিল্পে প্রয়োজনীয় মূলধন সংগ্রহের সুবিধা রয়েছে।
১০. ঐতিহাসিক কারণ: ব্রিটিশ আমলে কলকাতা ভারতের রাজধানী ও প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হওয়ায় ইংরেজদের উদ্যোগে হুগলি নদীর তীরে প্রথমদিকে বহু পাটকল গড়ে ওঠে। পরবর্তীকালে এই শিল্পের আরও কেন্দ্রীভবন ঘটে।
খ) হলদিয়া বন্দর গড়ে ওঠার কারণ লিখো।
Ans : - হলদিয়া বন্দর গড়ে ওঠার কারণগুলি আলোচনা করো।
কলকাতার প্রায় ৯৬ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় হুগলি ও হলদি নদীর সংযোগস্থলে কলকাতা বন্দরের সহযোগী বন্দর হিসেবে হলদিয়া বন্দর গড়ে উঠেছে। হলদিয়া বন্দর গড়ে ওঠার প্রধান কারণগুলি হল—
১. কলকাতা বন্দরের সহযোগী বন্দর: হুগলি নদীতে পলি সঞ্চয়ের ফলে কলকাতা বন্দরের নাব্যতা কমে যাওয়ায় বড়ো সমুদ্রগামী জাহাজের চলাচলে অসুবিধা হয়। তাই কলকাতা বন্দরের সহায়ক বন্দর হিসেবে হলদিয়া গড়ে তোলা হয়েছে।
২. গভীর জলরাশি: হলদিয়া বন্দরে তুলনামূলকভাবে গভীর জল থাকায় বড়ো জাহাজ সহজে চলাচল ও নোঙর করতে পারে।
৩. সুরক্ষিত পোতাশ্রয়: হলদিয়া বন্দরের পোতাশ্রয় ঝড়-ঝঞ্ঝার প্রভাব থেকে তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত।
৪. অনুকূল নদীপথ: বন্দরে প্রবেশের নদীপথ তুলনামূলকভাবে সরল হওয়ায় জাহাজের যাতায়াত সহজ।
৫. জমির সহজলভ্যতা: বন্দর ও সংশ্লিষ্ট শিল্পের পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য এখানে পর্যাপ্ত জমি পাওয়া যায়।
৬. উন্নত পশ্চাদ্ভূমি: কলকাতা বন্দরের পশ্চাদ্ভূমি হলদিয়া বন্দরেরও পশ্চাদ্ভূমি। এই অঞ্চলে জনসংখ্যা বেশি এবং শিল্পের যথেষ্ট বিকাশ ঘটেছে।
৭. উন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা: সড়ক ও রেলপথের মাধ্যমে হলদিয়া কলকাতা এবং ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত। ফলে পণ্য পরিবহণ ও আমদানি-রপ্তানি সহজ হয়েছে।
৮. বন্দরকেন্দ্রিক শিল্পের বিকাশ: হলদিয়ায় পেট্রোকেমিক্যালসহ বিভিন্ন শিল্প গড়ে ওঠায় বন্দরের গুরুত্ব ও ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে।
৯. কাঁচামালের সহজলভ্যতা: ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার লৌহ আকরিক, রানিগঞ্জ ও ঝরিয়ার কয়লা এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদ এই অঞ্চলের শিল্পের জন্য সহজে পাওয়া যায়।
১০. আধুনিক বন্দর ব্যবস্থা: কন্টেনার পরিষেবা ও যান্ত্রিক মাল ওঠানো-নামানোর ব্যবস্থা থাকায় অল্প সময়ে ও কম খরচে পণ্য পরিবহণ করা সম্ভব।
১১. সরকারি উদ্যোগ: হলদিয়া বন্দর গড়ে তোলা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
গ) সম্পদ সংরক্ষণের পাঁচটি উপায় লেখো।
Ans : - প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান যেমন—মাটি, জল, বন, খনিজ, শক্তি প্রভৃতি মানুষের জীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রধান ভিত্তি। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ, শিল্পায়ন এবং অতিরিক্ত সম্পদ ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের পরিমাণ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সম্পদ সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। সম্পদ সংরক্ষণের প্রধান পাঁচটি উপায় হল—
১. সম্পদের অপচয় রোধ ও সঠিক ব্যবহার: প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অপচয় বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পদ ব্যবহার করে অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার কমাতে হবে। শিল্পক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম সম্পদ দিয়ে বেশি উৎপাদনের ব্যবস্থা করতে হবে। এতে সম্পদের অপচয় কমবে এবং দীর্ঘদিন সম্পদ ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
২. পুনর্ব্যবহার ও পুনঃচক্রায়ন: কাগজ, কাচ, ধাতু, প্লাস্টিক ইত্যাদি ব্যবহৃত সামগ্রী পুনরায় ব্যবহার ও পুনঃচক্রায়নের মাধ্যমে নতুন সামগ্রী তৈরি করা যায়। এর ফলে নতুন করে কাঁচামাল সংগ্রহের প্রয়োজন কমে এবং খনিজ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর চাপ হ্রাস পায়।
৩. বন সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ: বন প্রাকৃতিক সম্পদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাণ্ডার। নির্বিচারে গাছ কাটা বন্ধ করে বনাঞ্চল সংরক্ষণ করতে হবে এবং ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। সামাজিক বনসৃজন ও বনায়নের মাধ্যমে অনাবাদি জমিতেও গাছ লাগানো যায়। এর ফলে মাটি, জল ও জীববৈচিত্র্যও সংরক্ষিত হয়।
৪. জল ও মাটি সংরক্ষণ: বৃষ্টির জল সংরক্ষণ, জলাধার তৈরি এবং ভূগর্ভস্থ জলের অতিরিক্ত উত্তোলন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জলসম্পদ রক্ষা করা যায়। পাশাপাশি ভূমিক্ষয় রোধ, সোপান চাষ, কন্টুর চাষ এবং যথাযথ ফসল পর্যায়ক্রম অনুসরণ করে মাটির উর্বরতা বজায় রাখতে হবে।
৫. বিকল্প ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার: কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো অনবীকরণযোগ্য শক্তির সম্পদ সীমিত। তাই সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ ও জৈবশক্তির মতো পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। এতে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং ভবিষ্যতের জন্য শক্তিসম্পদ সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।
সুতরাং, সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, পুনর্ব্যবহার, বন ও জল সংরক্ষণ এবং বিকল্প শক্তির প্রসারের মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ নিশ্চিত করা যায়। সম্পদ সংরক্ষণ শুধু বর্তমান প্রজন্মের প্রয়োজন মেটানোর জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার অপরিহার্য শর্ত।
ঘ) অতিরিক্ত ভৌমজল ব্যবহারের পাঁচটি কুফল লেখো।
Ans : - ভৌমজল বা ভূগর্ভস্থ জল মানুষের পানীয় জল, কৃষিকাজ, শিল্প এবং দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষিক্ষেত্রে অতিরিক্ত সেচ, শিল্পের প্রসার এবং নগরায়ণের ফলে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পরিমাণে ভৌমজল উত্তোলন করা হচ্ছে। স্বাভাবিক পুনর্ভরণের তুলনায় বেশি হারে ভৌমজল উত্তোলন করলে পরিবেশ ও মানুষের জীবনে বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। অতিরিক্ত ভৌমজল ব্যবহারের প্রধান পাঁচটি কুফল হল—
১. ভৌমজলের স্তর নেমে যাওয়া: অতিরিক্ত হারে ভূগর্ভস্থ জল তুলে নিলে জলাধারে জলের পরিমাণ কমতে থাকে এবং ভৌমজলের স্তর ক্রমশ নীচে নেমে যায়। ফলে অগভীর নলকূপ, কুয়ো ও অন্যান্য জলস्रोत শুকিয়ে যেতে পারে। পরবর্তীকালে জল পাওয়ার জন্য আরও গভীর নলকূপ স্থাপন করতে হয়।
২. পানীয় জলের সংকট: ভৌমজলের স্তর অতিরিক্ত নেমে গেলে মানুষের পানীয় জলের জোগান ব্যাহত হয়। বিশেষ করে শুষ্ক মরশুমে জলসংকট আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে। ফলে গ্রাম ও শহর উভয় অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
৩. ভূমি অবনমন: কোনো অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ভৌমজল উত্তোলন করলে ভূগর্ভস্থ মাটির স্তরগুলি সংকুচিত হতে পারে। এর ফলে ভূমির উপরিভাগ ধীরে ধীরে বসে যেতে পারে, যাকে ভূমি অবনমন বলে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই সমস্যা বাড়িঘর ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
৪. জলদূষণ ও লবণাক্ততা বৃদ্ধি: উপকূলীয় অঞ্চলে অতিরিক্ত ভৌমজল উত্তোলনের ফলে সমুদ্রের লবণাক্ত জল ভূগর্ভস্থ মিষ্টি জলের স্তরে প্রবেশ করতে পারে। এর ফলে ভৌমজল লবণাক্ত হয়ে পানীয় ও কৃষিকাজের অনুপযোগী হতে পারে। কোথাও কোথাও ভৌমজলে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের ঘনত্বও বৃদ্ধি পেতে পারে।
৫. কৃষি ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব: ভৌমজলের স্তর নেমে গেলে কৃষিকাজের জন্য পর্যাপ্ত সেচের জল পাওয়া কঠিন হয়। এর ফলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে ভৌমজলের ওপর নির্ভরশীল নদী, পুকুর, জলাভূমি ও বিভিন্ন জীবজগতও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
অতএব, ভৌমজলের অপচয় বন্ধ করে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ, কৃত্রিম পুনর্ভরণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত জল ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে ভৌমজলের ভারসাম্য বজায় রেখে ভবিষ্যতের জলসংকট কমানো সম্ভব।
চ-বিভাগ
৭। প্রশ্নপত্রের সঙ্গে প্রদত্ত পশ্চিমবঙ্গের রেখা-মানচিত্রে নিম্নলিখিত স্থানগুলি উপযুক্ত প্রতীক ও নামসহ চিহ্নিত করে মানচিত্রটি উত্তরপত্রের সঙ্গে জুড়ে দাও : — ১ × ১০
ক) অযোধ্যা পাহাড়
খ) দীঘা
গ) কলকাতা
ঘ) দামোদর নদ
ঙ) ম্যানগ্রোভ অরণ্য
চ) একটি লৌহ ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র
ছ) হলদিয়া বন্দর
জ) উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার
ঝ) পশ্চিমবঙ্গের একটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ঞ) পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চল
CLASS 9 - 3RD UNIT TEST 2026
📚 সব বিষয়ের 4 টি করে প্রশ্নপত্রের SET
🔥 খুবই সুলভ মূল্যে!
📲 ONLY WHATSAPP - 8337875981
আজই সংগ্রহ করুন!


Enter Your Comment