ক্লাস 6 বাংলা তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন প্রশ্নপত্র ২০২৬
২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের ক্লাস 6 বাংলা তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা। তাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সাহায্য করার জন্য এই পোস্টে দেওয়া হলো Class 6 Bengali Third Unit Test Question Paper 2026, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, উত্তর এবং পরীক্ষার উপযোগী সাজেশন। যারা ক্লাস 6 বাংলা তৃতীয় ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র ২০২৬, Class 6 Bengali Question Answer 2026, WBBSE Class 6 Bengali Question Paper 2026 অথবা ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ খুঁজছেন, তাদের জন্য এই পোস্টটি বিশেষভাবে সহায়ক।
WBBSE Class 6 Bengali 3rd Unit Test Question Paper 2026
এই পোস্টে Class 6 Bengali 3rd Unit Test 2026 পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নপত্র এবং প্রয়োজনীয় প্রশ্নোত্তর দেওয়া হয়েছে। WBBSE Class 6 Bengali 3rd Unit Test Question Paper 2026 অনুসারে ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন অনুশীলন করতে পারবে। পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্রটি ভালোভাবে পড়লে প্রশ্নের ধরন এবং উত্তর লেখার পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা তৈরি হবে।
West Bengal Class 6 Bengali Question Answer 2026
Class 6 Bengali Question Answer 2026 পরীক্ষার প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার জন্য বাংলা বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলির উত্তর সহজ, পরিষ্কার ও পরীক্ষোপযোগী ভাষায় দেওয়া হয়েছে। যারা WBBSE Class 6 Bengali Solution in Bengali Medium 2026 অথবা Class 6 Bengali Answer 2026 খুঁজছেন, তারা এখান থেকে প্রয়োজনীয় প্রশ্নোত্তর অনুশীলন করতে পারবে।
Class 6 Bengali 3rd Unit Test Suggestion 2026
পরীক্ষার আগে Class 6 Bengali 3rd Unit Test Suggestion 2026, Class Six Bengali Third Summative Test Question and Answer দেখে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি পুনরায় অনুশীলন করা যেতে পারে। এর মধ্যে কবিতা ও গদ্যভিত্তিক প্রশ্ন, সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, বড়ো প্রশ্ন, শব্দার্থ, বিপরীত শব্দ, পদ পরিবর্তন, বাক্য রচনা, ব্যাকরণ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। তবে শুধু সাজেশনের ওপর নির্ভর না করে পাঠ্যবইয়ের সম্পূর্ণ বিষয় ভালোভাবে পড়া উচিত।
ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন প্রশ্নপত্র ও সাজেশন ২০২৬
WBBSE Class 6 Bengali 2026 পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য নিয়মিত পাঠ্যবই পড়া, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর লেখা এবং পূর্ববর্তী প্রশ্নপত্র অনুশীলন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। West Bengal Class 6 Bengali Question Paper 2026 এবং Class 6 Bengali 3rd Summative Question Paper 2026 অনুশীলনের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের প্রস্তুতি যাচাই করতে পারবে। Class 6 Bengali 3rd Unit Test Question Paper 2026, প্রশ্নোত্তর এবং সাজেশন নিয়মিত অনুশীলন করে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও ভালোভাবে নেওয়া সম্ভব।
ষষ্ঠ শ্রেণির তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের বাংলা প্রশ্নপত্র
CLASS – VI
Subject – Bengali
Time – 2 hours 30 minutes
F.M. – 70
১। নিচের প্রশ্নগুলির মধ্যে সঠিক উত্তরটি বেছে নাও : ১ × ৫ = ৫
(ক) হাবু মেলা দেখতে গিয়েছিল —
(গোপালপুরে / নিশ্চিন্দপুরে / শ্যামপুরে)।
(খ) সি. সি. এইচ. দলের ক্যাপ্টেন ছিল —
(সোনা চৌধুরী / মোনা চৌধুরী / ননী চৌধুরী)।
(গ) যতীন দাশের ছদ্মনাম ছিল —
(অরূপ / বারীন / রবিন)।
(ঘ) যতীন দাশের মৃত্যু হয় —
(শনিবার / রবিবার / সোমবার)।
(ঙ) হাবুদের ক্লাসের নাকরা ফাঁকিবাজ ছেলের নাম —
(প্রফুল্ল / তিনকড়ি / নিতাই)।
২। নীচের প্রশ্নগুলির অতি সংক্ষেপে উত্তর দাও : ১ × ৫ = ৫
(ক) ‘ত্রিংশ কোটি’ সন্তান কী বলে ডাকে?
(খ) বিবাদ করে খোদার ওপর কী করা হয়?
(গ) ‘ধরাতল’ কবিতাটির মূল কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
(ঘ) কখন কিশোর মন ‘সমুদ্দুরের বেলায়’ যেতে চায়?
(ঙ) ‘ধরাতল’ কবিতায় কূলে কূলে কী দেখা যাওয়ার কথা কবি বলেছেন?
৩। যে কোনো ২টি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৫ × ২ = ১০
(ক) যতীন দাশ কবে, কোথায় চিরনিদ্রায় ঢলে পড়েন? তাঁর মরদেহ হাওড়ায় পৌঁছতে কতদিন লেগেছিল? শবাধার গ্রহণে কারা উপস্থিত ছিলেন?
(খ) “তবে আরেকটু মৌলিক হওয়া উচিত।” — বক্তা কে? কোন বিষয়ে মৌলিক হওয়া উচিত? এ প্রসঙ্গে বক্তা আর কী বলেছিলেন?
(২ + ১ + ২)
(গ) ‘সারা মাঠ অবাক, শুধু ননীদা ছাড়া।’ — সারা মাঠকে অবাক করে দেওয়ার মতো কোন্ ঘটনা ঘটেছিল? ননীদা সেই ঘটনায় অবাক হলেন না কেন?
(১ + ১ + ৩)
৪। যে কোনো ২টি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৫ × ২ = ১০
(ক) ‘বঙ্গ আমার! জননী আমার!’ কবিতায় বঙ্গ তথা স্বদেশের গৌরবের কথা কবি যেভাবে তুলে ধরেছেন, তা নিজের ভাষায় লেখো।
(৩ + ২)
(খ) “মনে হয়, সব নিয়ে এ ধরণী ভালো”— মনে হওয়ার কারণ কী?
(গ) “বৃদ্ধ এখন সুধায় লোকে,” — কখন পৃথিবীকে ভালো মনে হয়? কে এখন বৃদ্ধ? লোকে তাকে কী জিজ্ঞাসা করে? তাদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি কী বলেন?
(১ + ৪)
৫। নীচের প্রশ্নগুলির এককথায় উত্তর দাও : ১ × ১০ = ১০
(ক) ন্যাড়া দশবার কোন গান গেয়েছিল?
(খ) ‘মজারু’— শব্দটি সৃষ্টির জন্য ন্যাড়া কোন যুক্তি দিয়েছিল?
(গ) কুমির যে পোশাক পরেছিল, তার নাম কী?
(ঘ) বিচারক হিসাবে হুতোম প্যাঁচা কোথায় বসেছিল?
(ঙ) কুমির কীভাবে চোখের জল বের করছিল?
(চ) কচু সম্পর্কে কোন কথা শুনলে মানুষ রেগে যায়?
(ছ) রামভজনের গিন্নির সঙ্গে কার তুলনা করা হয়েছে?
(জ) হিজি বিজ বিজের মতে কুমির কী খায়?
(ঝ) হিজি বিজ বিজের সকালে এবং বিকালে কী নাম হয়?
(ঞ) কে গাছের ওপর বসে হিসেব লিখছিল?
৬। সন্ধি বিচ্ছেদ করো : ১ × ৪ = ৪
নিরানন্দ, ভাস্কর, নীরোগ, নিস্তেজ।
৭। সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দের অর্থ লেখো : ২ × ২ = ৪
দ্বীপ —
দীপ —
দিন —
দীন —
৮। পদান্তর করো : ১ × ৪ = ৪
জগৎ,
আক্রমণ,
৯। নিচের অনুচ্ছেদটি ভালো করে পড়ে প্রদত্ত প্রশ্নগুলির পূর্ণবাক্যে উত্তর দাও : ২ x ৫ = ১০
পশ্চিমবাংলায় অজয় নামে একটি নদী আছে। তার উৎপত্তিস্থল ছোটোনাগপুর মালভূমিতে। অজয় নামের অর্থ হলো যাকে পোষ মানানো যায় না। কত যুগ ধরে কবিরা অজয় নদীর সর্বনাশা রূপ সম্বন্ধে কবিতা আর গান লিখেছেন। আজ পর্যন্ত মাঝে মাঝেই অজয় নদীর ধারের বালি খুঁড়ে কত লোক পুরোনো নৌকার অপূর্ব খোদাই করা ভাঙা টুকরো খুঁজে পায়। কাঠের নৌকার টুকরো এখন পাথরের মতো হয়ে গেছে।
প্রশ্ন :
(ক) অজয় নদীর রূপ নিয়ে কবিরা কী করেছেন?
উত্তর: অজয় নদীর সর্বনাশা রূপ সম্বন্ধে কবিরা বহু যুগ ধরে কবিতা ও গান লিখেছেন।
(খ) অজয় নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
উত্তর: অজয় নদীর উৎপত্তিস্থল ছোটোনাগপুর মালভূমিতে।
(গ) ‘অজয়’ নামের অর্থ কী?
উত্তর: ‘অজয়’ নামের অর্থ হলো—যাকে পোষ মানানো যায় না।
(ঘ) অজয় নদীর ধারের বালি খুঁড়ে কী পাওয়া গেছে?
উত্তর: অজয় নদীর ধারের বালি খুঁড়ে পুরোনো নৌকার অপূর্ব খোদাই করা ভাঙা টুকরো পাওয়া গেছে।
(ঙ) কাঠের টুকরো এখন কী হয়ে গেছে?
উত্তর: কাঠের নৌকার টুকরোগুলি এখন পাথরের মতো হয়ে গেছে।
১১। যে কোনো ১টি বিষয়ে পত্র রচনা করো : ৫
(ক) জন্মদিনের নিমন্ত্রণ জানিয়ে প্রিয় বন্ধুকে একটি চিঠি লেখো।
অথবা
(খ) বার্ষিক পরীক্ষার পরে আসন্ন শীতের ছুটি তুমি কেমনভাবে কাটাবে, সেই বিষয়ে তোমার বন্ধুকে চিঠি লেখ।
১২। অনুচ্ছেদ রচনা কর( যেকোনো ১ টি) : ৫
১. তোমার পছন্দের ঋতু
উত্তর : - আমাদের পশ্চিমবঙ্গে বছরে ছয়টি ঋতুর দেখা মেলে—গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। প্রত্যেকটি ঋতুর নিজস্ব সৌন্দর্য ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তবে আমার সবচেয়ে পছন্দের ঋতু হলো শীতকাল। শীতকাল সাধারণত অগ্রহায়ণ ও পৌষ মাসে বেশি অনুভূত হয়। এই সময় আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং আবহাওয়া মনোরম হয়। সকালে হালকা কুয়াশা দেখা যায়। ঘাসের ওপর শিশিরবিন্দু মুক্তোর মতো ঝলমল করে। শীতের সকালে রোদ পোহাতে আমার খুব ভালো লাগে।
শীতকালে নানা রকম শাকসবজি পাওয়া যায়। ফুলকপি, বাঁধাকপি, মটরশুঁটি, টমেটো, গাজর, পালং শাক ইত্যাদি শীতকালীন সবজি বাজারে প্রচুর পাওয়া যায়। খেজুরের রস ও নলেন গুড়ও এই ঋতুর বিশেষ আকর্ষণ। নলেন গুড় দিয়ে তৈরি পিঠে, পায়েস ও নানা ধরনের মিষ্টি খেতে খুব ভালো লাগে। শীতকালে বিভিন্ন জায়গায় মেলা, বনভোজন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সরস্বতী পুজো ও নানা ধরনের উৎসবও এই সময় আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি করে।
শীতকালে অতিরিক্ত গরম বা বৃষ্টির সমস্যা থাকে না বলে পড়াশোনাতেও মনোযোগ দেওয়া যায়। সকালে কুয়াশা থাকলেও কিছুক্ষণ পরে সুন্দর রোদ ওঠে। শীতের সকালের প্রকৃতি আমার কাছে খুব সুন্দর লাগে। তবে দরিদ্র মানুষের কাছে শীত অনেক সময় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই আমাদের উচিত শীতের সময় অসহায় মানুষদের কম্বল ও গরম পোশাক দিয়ে সাহায্য করা। প্রকৃতির সৌন্দর্য, মনোরম আবহাওয়া, শীতকালীন সবজি, পিঠেপুলি এবং উৎসবের আনন্দ—সব মিলিয়ে শীতই আমার সবচেয়ে প্রিয় ঋতু।
২. স্বামী বিবেকানন্দ
উত্তর : - স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন ভারতের একজন মহান সন্ন্যাসী, চিন্তাবিদ ও দেশপ্রেমিক। তাঁর আসল নাম ছিল নরেন্দ্রনাথ দত্ত। তিনি ১৮৬৩ সালের ১২ জানুয়ারি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বিশ্বনাথ দত্ত এবং মাতা ভুবনেশ্বরী দেবী। ছোটোবেলা থেকেই নরেন্দ্রনাথ ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী, সাহসী ও অনুসন্ধিৎসু। তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি শরীরচর্চা, সংগীত এবং বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতেন।
পরবর্তীকালে নরেন্দ্রনাথের সঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের পরিচয় হয়। শ্রীরামকৃষ্ণের আদর্শ ও শিক্ষা তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। গুরুদেবের কাছ থেকে তিনি মানুষের সেবা এবং ঈশ্বরের প্রতি ভালোবাসার শিক্ষা লাভ করেন। শ্রীরামকৃষ্ণের মৃত্যুর পরে নরেন্দ্রনাথ সন্ন্যাস গ্রহণ করে স্বামী বিবেকানন্দ নাম গ্রহণ করেন। তিনি সারা ভারত ভ্রমণ করে দেশের মানুষের দুঃখ-কষ্ট সম্পর্কে জানতে পারেন এবং মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার সংকল্প করেন।
১৮৯৩ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বধর্ম মহাসভায় স্বামী বিবেকানন্দ ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন। সেখানে তাঁর বক্তৃতা ভারতীয় সংস্কৃতি ও বেদান্তের ভাবধারাকে বিশ্বের সামনে পরিচিত করে তোলে। তাঁর বক্তৃতায় মানবতা, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ও ভ্রাতৃত্বের কথা গুরুত্ব পেয়েছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষের মধ্যে অসীম শক্তি রয়েছে এবং আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে মানুষ নিজের জীবনকে সুন্দর করে তুলতে পারে।
স্বামী বিবেকানন্দ ১৮৯৭ সালে রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। মানুষের সেবা, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণে এই প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাঁর জন্মদিন ১২ জানুয়ারি ভারতে জাতীয় যুব দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯০২ সালের ৪ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। স্বামী বিবেকানন্দের জীবন ও আদর্শ আজও আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়। তাঁর শিক্ষা আমাদের আত্মবিশ্বাসী, পরিশ্রমী, সৎ ও দেশপ্রেমিক হতে শেখায়।
৩. আদর্শ বিদ্যালয়
উত্তর : - বিদ্যালয় হলো জ্ঞান অর্জনের অন্যতম প্রধান স্থান। একজন শিক্ষার্থীর জীবনে বিদ্যালয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। বিদ্যালয় শুধু বইয়ের জ্ঞান দেয় না, শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবেও গড়ে তোলে। তাই একটি আদর্শ বিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব হওয়া উচিত। আমার কল্পনার আদর্শ বিদ্যালয় হবে এমন একটি বিদ্যালয়, যেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতারও যথেষ্ট সুযোগ থাকবে।
আমার আদর্শ বিদ্যালয়ে প্রশস্ত ও পরিষ্কার শ্রেণিকক্ষ থাকবে। প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা থাকবে। বিদ্যালয়ে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার থাকবে, যেখানে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি গল্প, কবিতা, জীবনী, বিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞানের নানা বই থাকবে। একটি ভালো বিজ্ঞানাগার ও কম্পিউটার শিক্ষার ব্যবস্থা থাকবে। শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে বিভিন্ন বিষয় শেখার সুযোগ পাবে। বিদ্যালয়ের চারপাশে থাকবে সবুজ গাছপালা ও সুন্দর বাগান। একটি বড়ো খেলার মাঠও থাকবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত খেলাধুলা ও শরীরচর্চা করতে পারবে।
আদর্শ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা হবেন জ্ঞানী, দায়িত্বশীল, স্নেহশীল ও সহানুভূতিশীল। তাঁরা শুধু পরীক্ষার জন্য পড়াবেন না, শিক্ষার্থীদের সৎ, নিয়মানুবর্তী ও দায়িত্ববান হতে শেখাবেন। দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁরা বিশেষ যত্ন নেবেন। বিদ্যালয়ে নিয়মিত বিতর্ক, আবৃত্তি, গান, আঁকা, নাটক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্মদিনও যথাযথভাবে পালন করা হবে।
আমার আদর্শ বিদ্যালয়ে কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না। সব শিক্ষার্থী সমান সুযোগ পাবে এবং একে অপরকে সম্মান করতে শিখবে। বিদ্যালয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করা হবে। নিয়মিত বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিও নেওয়া হবে। এমন একটি বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফল করতে সাহায্য করবে না, বরং তাদের ভবিষ্যতের যোগ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। তাই আমার কাছে আদর্শ বিদ্যালয় হলো এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে জ্ঞান, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও সৃজনশীলতার সুন্দর সমন্বয় ঘটে।
CLASS 6 - 3RD UNIT TEST 2026
📚 সব বিষয়ের 4 টি করে প্রশ্নপত্রের SET
🔥 খুবই সুলভ মূল্যে!
📲 ONLY WHATSAPP - 8337875981
আজই সংগ্রহ করুন!

.jpg)
Enter Your Comment