Class 8 Geography First Unit Test Question Paper with Answers । অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট

0

West Bengal Class 8 1st Unit Test Question Paper 2026 | ক্লাস 8 ভূগোল সাজেশন ও উত্তর

Class 8 Geography First Unit Test Question Paper with Answers । অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট


অনেক শিক্ষার্থী অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র ও উত্তর খুঁজে থাকে পরীক্ষার ভালো প্রস্তুতির জন্য। এখানে আমরা উৱস Class 8 Geography First Unit Test Question, অষ্টম শ্রেণীর প্রথম ইউনিট টেস্টের ভূগোল বিষয়ের সাজেশন প্রশ্ন ও উত্তর, এবং WB Class 8 Bhugol 1st unit test suggestion 2026 Solved একসাথে তুলে ধরেছি। এই পোস্টে আপনি ক্লাস 8 ভূগোল সাজেশান প্রথম ইউনিট টেস্ট, West Bengal Class 8 1st unit test question paper 2026, এবং অষ্টম শ্রেণী প্রথম ইউনিট টেস্ট ভূগোল প্রশ্ন উত্তর 2026 সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। পাশাপাশি এখানে Class 8 First Unit Test Exam Geography Suggestion 2026, অষ্টম শ্রেণী ভূগোল প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন প্রশ্নপত্র 2026, অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন, এবং ক্লাস 8 ভূগোল প্রশ্ন উত্তর 2026 দেওয়া হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার আগে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো সহজে অনুশীলন করতে পারে।


Class 8 Geography 1st Unit Test Syllabus 

১ম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন : [ পূর্ণমান—30 (লিখিত), সময়—60 মিনিট ] প্রথম অধ্যায় : পৃথিবীর অন্দরমহল। দ্বিতীয় অধ্যায় : অস্থিত পৃথিবী। তৃতীয় অধ্যায় : শিলা। অষ্টম অধ্যায় : ভারতের প্রতিবেশী দেশসমূহ ও তাদের সঙ্গে সম্পর্ক।


অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র ও উত্তর 2026


1. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো : 1 x 6 = 6


(i) পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হল –

(a) 6270 km

(b) 6370 km

(c) 6450 km

(d) 6730 km

উত্তর : - (b) 6370 km


(ii) পশ্চিমবঙ্গের একটি উষ্ণ প্রস্রবণ হল –

(a) কোলাঘাট

(b) বনগাঁ

(c) বক্রেশ্বর

(d) কোচবিহার

উত্তর : - (c) বক্রেশ্বর


(iii) সবচেয়ে দ্রুতগামী ভূমিকম্প তরঙ্গ হল –

(a) S তরঙ্গ

(b) P তরঙ্গ

(c) L তরঙ্গ

(d) R তরঙ্গ

উত্তর : - (b) P তরঙ্গ


(iv) মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব প্রস্তাব করেন –

(a) ওয়েগনার

(b) মর্গান

(c) হেস

(d) উইলসন

উত্তর : - (a) ওয়েগনার


(v) যে পাত সীমানা বরাবর দুটি পাত পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়, তাকে বলে –

(a) অভিসারী পাত সীমানা

(b) অপসারী পাত সীমানা

(c) নিরপেক্ষ পাত সীমানা

উত্তর : - (b) অপসারী পাত সীমানা


(vi) ভূ-পৃষ্ঠের বাইরে বেরিয়ে আসা আগ্নেয় পদার্থ হল –

(a) ম্যাগমা

(b) লাভা

(c) পাইরোক্লাস্ট

(d) কোনটাই নয়

উত্তর : - (b) লাভা


(vii) জীবাশ্ম দেখা যায় –

(a) আগ্নেয় শিলায়

(b) পাললিক শিলায়

(c) রূপান্তরিত শিলায়

উত্তর : - (b) পাললিক শিলায়


(viii) SIMA স্তরটি গঠিত হয়েছে

(a) গ্রানাইট শিলা, 

(b) পাললিক শিলা, 

(c) ব্যাসল্ট শিলা দ্বারা

(d) কোনটাই নয়

উত্তর : - (c) ব্যাসল্ট শিলা দ্বারা


(ix) SAARC-এর সদস্য দেশের সংখ্যা হল –

(a) 6টি

(b) 7টি

(c) ৪টি

(d) ৮টি

উত্তর : - (d) ৮টি


(x) ভূটানের রাজধানী –

(a) কাঠমান্ডু

(b) থিম্পু

(c) পারো

(d) পুনাখা 

উত্তর : - (b) থিম্পু



2.A. শূন্যস্থান পূরণ করো : 1 x 2 = 2


(i) বাংলাদেশের উচ্চতম শৃঙ্গ _________।

উত্তর : – সাকা হাফং


(ii) শ্রীলঙ্কার একটি প্রধান শহর ___________।

উত্তর : – কলম্বো


B. নীচের বাক্যগুলির কোনটি শুদ্ধ ও কোনটি অশুদ্ধ লেখো :  1 x 2 = 2


(i) সার্ক (SAARC)-এর সদর দপ্তর অবস্থিত থিম্পুতে ।


উত্তর : - অশুদ্ধ


(ii) নেপালকে ‘বজ্রপাতের দেশ বলা হয়।


উত্তর : - অশুদ্ধ


3. নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : 2 x 2 = 4


(i) ভুটানের ফল প্রক্রিয়াকরণ শিল্প পৃথিবী বিখ্যাত কেন?


উত্তর : - উত্তর ভুটানে নানা নানা প্রকার ফল, যেমন—আপেল, কমলালেবু, আনারস উৎপন্ন হয়। এই সকল ফল থেকে আচার, জ্যাম, জেলি, স্কোয়াশ প্রভৃতি উৎপন্ন হয়। এর জন্যে ভুটানপৃথিবী বিখ্যাত। এই কারণেই ভুটান ফল প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে পৃথিবী বিখ্যাত হয়েছে।

খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এখানকার ফল প্রক্রিয়াকরণে Duck কোম্পানি পৃথিবী খ্যাত।


(ii) প্রতিবেশী দেশগুলির কোনটি ভারতের কোন্ দিকে রয়েছে লেখো।


উত্তর : - ভারতের স্থলসীমানার উত্তরদিকে রয়েছে নেপাল, ভূটান ও চীন। দক্ষিণ সীমান্তে অবস্থিত প্রতিবেশী দেশ হল শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ। বাংলাদেশ ও মায়ানমার-এর অবস্থান ভারতের পূর্বদিকে। ভারতের পশ্চিমদিকে রয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

এই প্রতিবেশী দেশগুলির মোট সংখ্যা ৯টি।



4. নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক উত্তর দাও : (যে-কোনো দুটি) 3 x 2 = 6


(i) সক্রিয়তার ভিত্তিতে আগ্নেয়গিরি কয়প্রকার ও কী কী? প্রত্যেক প্রকারের সংজ্ঞা লেখো ও একটি করে উদাহরণ দাও। 

উত্তর : - সক্রিয়তার ভিত্তিতে আগ্নেয়গিরি তিন প্রকার—

১) সক্রিয় আগ্নেয়গিরি : - যে আগ্নেয়গিরি থেকে বর্তমানে বা প্রায়ই অগ্নুৎপাত ঘটে, তাকে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি বলে।

উদাহরণ : ব্যারেন দ্বীপ (ভারত)

২) সুপ্ত আগ্নেয়গিরি : - যে আগ্নেয়গিরি দীর্ঘদিন অগ্নুৎপাত না করলেও ভবিষ্যতে অগ্নুৎপাতের সম্ভাবনা থাকে, তাকে সুপ্ত আগ্নেয়গিরি বলে।

উদাহরণ : মাউন্ট ফুজি (জাপান)

৩) মৃত আগ্নেয়গিরি : - যে আগ্নেয়গিরি বহুদিন আগে অগ্নুৎপাত করেছে এবং ভবিষ্যতে অগ্নুৎপাতের সম্ভাবনা নেই, তাকে মৃত আগ্নেয়গিরি বলে।

উদাহরণ : মাউন্ট পোপা (মায়ানমার)


(ii) চিত্রের মাধ্যমে পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগ এবং বিযুক্তিরেখাগুলির অবস্থান বুঝিয়ে দাও।

উত্তর : -  

Class 8 Geography First Unit Test Question Paper with Answers । অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট


(iii) টীকা লেখো : সিসমোগ্রাফ (Seismograph) ও রিখটার স্কেল (Richter Scale)।

উত্তর : - 

১) সিসমোগ্রাফ (Seismograph)

সিসমোগ্রাফ হল এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে ভূমিকম্পের কম্পন রেকর্ড করা হয়। ভূমিকম্পের সময় পৃথিবীর পৃষ্ঠ কেঁপে উঠলে এই যন্ত্র সেই কম্পনকে গ্রাফ আকারে লিপিবদ্ধ করে। রেকর্ডকৃত লেখচিত্রকে সিসমোগ্রাম বলে। এর মাধ্যমে ভূমিকম্পের সময়, তীব্রতা ও কেন্দ্র নির্ণয় করা যায়।

২) রিখটার স্কেল (Richter Scale)

রিখটার স্কেল হল ভূমিকম্পের মাত্রা (Magnitude) পরিমাপের একটি স্কেল। ১৯৩৫ সালে আমেরিকার বিজ্ঞানী Charles F. Richter এই স্কেল প্রবর্তন করেন। এই স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ০ থেকে ৯ বা তার বেশি পর্যন্ত নির্ণয় করা হয়। স্কেলে প্রতি ১ মাত্রা বৃদ্ধি পেলে কম্পনের শক্তি প্রায় ১০ গুণ বৃদ্ধি পায়।


5. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : (যে-কোনো দুটি ) 5 x 2 = 10


(i) রূপান্তরিত শিলা ও পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো। 

উত্তর : - রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য : - 

১) আগ্নেয় বা পাললিক শিলা তাপ ও চাপের প্রভাবে রূপান্তরিত হয়ে এই শিলার সৃষ্টি হয়।

২) খুব কঠিন ও দৃঢ় প্রকৃতির হয়।

৩) স্তরবিন্যাস সাধারণত স্পষ্ট নয় (তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যান্ড দেখা যায়)।

৪) জীবাশ্ম সাধারণত পাওয়া যায় না।

৫) স্ফটিক গঠন দেখা যায়।

৬) একই শিলা তাপ ও চাপের ভিন্নতার ফলে ভিন্ন রূপ নিতে পারে।

৭) নির্মাণ কাজে ব্যাপক ব্যবহার হয় (যেমন মার্বেল, স্লেট)।

৮) উদাহরণ – চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল, শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট।


পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য : - 

১) নদী, বায়ু বা হিমবাহ দ্বারা বহনকৃত পলি সঞ্চিত হয়ে এই শিলা গঠিত হয়।

২) স্তরযুক্ত বা স্তরবিন্যাস স্পষ্ট দেখা যায়।

৩) তুলনামূলকভাবে নরম ও ভঙ্গুর প্রকৃতির হয়।

৪) জীবাশ্ম সাধারণত এই শিলায় পাওয়া যায়।

৫) বিভিন্ন রঙের হতে পারে।

৬) শস্যাকৃতি বা কণাযুক্ত গঠন দেখা যায়।

৭) জল ও বায়ুর প্রভাবে সহজে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।

৮) উদাহরণ – বেলেপাথর, চুনাপাথর, কংগ্লোমারেট।


(ii) শিলাচক্র একটি চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর : - অগ্ন্যুদ্‌গমের মাধ্যমে বা ভূপৃষ্ঠের কোনো দুর্বল ছিদ্রপথে ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠে লাভারূপে বেরিয়ে এসে অথবা ভূ-অভ্যন্তরে শীতল ও কঠিন হয়ে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। পরে এই শিলা নদী, বায়ু, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত ও অপসারিত হয়ে কোনো সমুদ্র, হ্রদ বা নদীর তলদেশে বহু বছর ধরে সঞ্চিত ও কঠিন হয়ে পাললিক শিলার সৃষ্টি করে। আগ্নেয় ও পাললিক—

Class 8 Geography First Unit Test Question Paper with Answers । অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট


এই দু'ধরনের শিলা ভীষণ তাপ, চাপ অথবা রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে পরিবর্তিত হয়ে রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয়। আবার বহু বছর পর এই তিন ধরনের শিলা ভূআলোড়নের ফলে ভূগর্ভে প্রবেশ করলে ম্যাগমায় পরিণত হয়। এই ম্যাগমা থেকে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়। আবার কখনো রূপান্তরিত শিলা বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত ও অপসারিত হয়ে নদী, সমুদ্র বা হ্রদের তলদেশে সঞ্চিত হয়ে ও জমাট বেঁধে পাললিক শিলা তৈরি করে। প্রকৃতিতে শিলার উৎপত্তি ও এক শিলা থেকে অন্য শিলায় রূপান্তর একটি নির্দিষ্ট নিয়মে চক্রাকারে আবর্তিত হয়ে চলেছে। এইভাবে ক্রমান্বয়ে তিন প্রকার শিলার বিভিন্ন পদ্ধতিতে চক্রাকারে আবর্তনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি হলো শিলাচক্র।


(iii) আগ্নেয় শিলার শ্রেণিবিভাগ করে প্রত্যেক প্রকারের সংজ্ঞা ও উদাহরণ দাও ।

উত্তর : - পৃথিবী সৃষ্টির সময় উত্তপ্ত ও তরল অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে তাপ বিকিরণ করে ভূত্বকের মধ্যে ও ওপরে প্রথম যে কঠিন শিলার সৃষ্টি হয় সেটি আগ্নেয় শিলা (Igneous Rock)। পৃথিবীতে প্রথম সৃষ্টি হওয়ায় এই শিলার আরেক নাম প্রাথমিক শিলা। ভূ-অভ্যন্তরের বিভিন্ন ধাতব পদার্থ যেমন— সিলিকন, লোহা, নিকেল, ম্যাগনেশিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম প্রভৃতি উত্তপ্ত ও গলিত অবস্থায় ম্যাগমা রূপে থাকে। এই ম্যাগমা প্রবল চাপে লাভা রূপে ভূপৃষ্ঠে উঠে এসে বা ভূ-অভ্যন্তরেই ধীরে ধীরে শীতল ও কঠিন হয়ে জমাট বেঁধে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে।

উৎপত্তি অনুসারে আগ্নেয় শিলা দুই প্রকার—

১) নিঃসারী (বহিঃস্থ) আগ্নেয় শিলা : - 

ভূ-অভ্যন্তরের উত্তপ্ত গলিত ম্যাগমা ভূত্বকের দুর্বল ফাটল দিয়ে ভূপৃষ্ঠে লাভা রূপে বেরিয়ে এসে দ্রুত শীতল ও কঠিন হয়ে যে শিলা সৃষ্টি করে তাকে নিঃসারী আগ্নেয় শিলা বলে।

দ্রুত শীতল হওয়ায় এদের দানাগুলি সূক্ষ্ম হয়।

উদাহরণ : ব্যাসল্ট, অবসিডিয়ান।

২) উদ্‌বেধী (অন্তঃস্থ) আগ্নেয় শিলা : 

ভূ-অভ্যন্তরের গলিত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠে পৌঁছাতে না পেরে ভূ-অভ্যন্তরেই ধীরে ধীরে শীতল ও কঠিন হয়ে যে শিলা সৃষ্টি করে তাকে উদ্‌বেধী আগ্নেয় শিলা বলে।

ধীরে শীতল হওয়ায় এদের দানা অপেক্ষাকৃত স্থূল হয়।

উদাহরণ : গ্রানাইট, ডোলেরাইট।


উদ্‌বেধী আগ্নেয় শিলা আবার দুই প্রকার—

(ক) উপপাতালিক শিলা : ম্যাগমা ভূ-অভ্যন্তরের ফাটল বা ছিদ্রপথে জমাট বেঁধে সৃষ্টি হয়।

উদাহরণ – ডোলেরাইট।

(খ) পাতালিক শিলা : ম্যাগমা ভূ-অভ্যন্তরের গভীরে অতি ধীরে শীতল হয়ে সৃষ্টি হয়।

উদাহরণ – গ্রানাইট।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ

Enter Your Comment

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)