WBBSE Class 8 History Second Unit Test Question Paper with Answers 2026 ।অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর

0

WBBSE Class 8th History 2nd Unit Test Suggestion Question Paper with Answers

WBBSE Class 8 History Second Unit Test Question Paper with Answers 2026 ।অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর

  

Info Educations ওয়েবসাইটে তোমাদের সকলকে জানাই আন্তরিক স্বাগত। আশা করি তোমরা সকলে ভালো আছো এবং পড়াশোনার প্রস্তুতি ভালোভাবেই এগিয়ে নিচ্ছো। আগামী আগস্ট মাস থেকে অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু হতে চলেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার আগে সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তোমাদের প্রস্তুতিকে আরও সহজ ও কার্যকর করে তুলতে Info Educations নিয়ে এসেছে যত্নসহকারে তৈরি Class 8 History Second Unit Test 2026 Question Paper & Answer। পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নির্ভরযোগ্য প্রশ্নপত্র ও সঠিক উত্তর অনুশীলন করা খুবই জরুরি। সেই লক্ষ্যেই আমরা তোমাদের জন্য প্রদান করছি WBBSE Class 8 All Subject Unit Test Question Papers with Answers, যা তোমাদের পড়াশোনাকে আরও সুসংগঠিত করতে সাহায্য করবে।



অষ্টম শ্রেণীর দ্বিতীয় ইউনিট টেস্টের ইতিহাস বিষয়ের প্রশ্নপত্র ২০২৬


অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট প্রশ্ন ও উত্তর (Class 8 History Second Unit Test Question Paper with Answers 2026) এখন তোমাদের জন্য একদম সহজলভ্য। Info Educations নিয়ে এসেছে Class 8 History Second Unit Test Question Paper & Answer, যা তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। সামনে আসন্ন দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন পরীক্ষার জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই Class 8 History 2nd Unit Test Question Paper এবং তার সঠিক উত্তরগুলি তোমাদের বাড়িতে বসে অনুশীলনের জন্য দারুণ সহায়ক হবে। এই ক্লাস ৮ ইতিহাস দ্বিতীয় সামেটিভ টেস্ট (Class 8 History Second Unit Test Question with Answers 2026) অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দ্বারা প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে তোমরা পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন সহজে বুঝতে পারো এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারো।



West Bengal Class 8 History Second Summative Test Syllabus


WBBSE Class VIII History 2nd Unit Test Syllabus 2026 অনুযায়ী অষ্টম শ্রেণীর দ্বিতীয়  পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের বিজ্ঞান বিষয়ের সিলেবাস - চতুর্থ অধ্যায় : ঔপনিবেশিক অর্থনীতির চরিত্র। পঞ্চম অধ্যায় : ঔপনিবেশিক শাসনের প্রতিক্রিয়া : সহযোগিতা ও বিদ্রোহ। ষষ্ঠ অধ্যায় : জাতীয়তাবাদের প্রাথমিক বিকাশ। সপ্তম অধ্যায় : ভারতের জাতীয় আন্দোলনের আদর্শ ও বিবর্তন। (সপ্তম অধ্যায়টির শিখন-শিক্ষণ দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের মধ্যে করা যেতে পারে। কিন্তু এই অধ্যায় থেকে প্রশ্ন তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নে করতে হবে )। তাই এই অধ্যায়গুলি ভালোভাবে পড়া ও অনুশীলন করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই পরীক্ষাটি সম্পূর্ণ লিখিত হবে, যার পূর্ণমান নির্ধারিত হয়েছে ৫০ নম্বর এবং সময় দেওয়া হবে ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট। সঠিক প্রস্তুতির জন্য নিয়মিত অনুশীলন ও অধ্যয়ন করলে পরীক্ষায় ভালো ফল করা সম্ভব।


ক্লাস 8 ইতিহাস দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন প্রশ্ন উত্তর

 

১। সঠিক উত্তরটি বেছে লেখো :- (১×৬=৬)


ক) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয় – (১৭৯১ / ১৭৯২ / ১৭৯৩) খ্রিষ্টাব্দে।


খ) ‘দাদন’ বলতে বোঝায় – (অগ্রিম অর্থ / বেগার শ্রম / আবওয়াব)।


গ) সতীদাহ প্রথা বন্ধ করেন – (বেন্টিঙ্ক / ওয়েলেসলি / ডালহৌসি)।


ঘ) বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা হল – (দিগদর্শন / সমাচার দর্পণ / সোমপ্রকাশ)।


ঙ) বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনা করেছিলেন – (ডাফরিন / কার্জন / মিন্টো)।


চ) জাতীয় মেলা পরবর্তীকালে কী নামে পরিচিত হয় – (শিবাজি উৎসব / হিন্দুমেলা / গণপতি উৎসব)।


২। এক কথায় উত্তর দাও :- ১ x ৫ = ৫ 


ক) বাংলায় কে ইজারাদারি ব্যবস্থা চালু করেন?

খ) ‘মহল’ কথাটির অর্থ কী?

গ) আর্যসমাজ কে প্রতিষ্ঠা করেন?

ঘ) তিতুমিরের আসল নাম কী?

ঙ) বাংলায় বিপ্লবী আন্দোলনের মুখপত্রের নাম কী?


৩। শূন্যস্থান পূরণ করো :- ১ x ৫ = ৫ 


ক) ________ খ্রিষ্টাব্দে বোম্বাইতে প্রথম সুতির কাপড় তৈরির কারখানা চালু হয়।


খ) আলিগড় অ্যাংলো ওরিয়েন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন ________।


গ) ভারতের প্রথম ভাইসরয় নিযুক্ত হন ________।


ঘ) অনুশীলন সমিতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ________।


ঙ) সাগরে কন্যাশিশু ভাসানোর প্রথা নিষিদ্ধ করেছিলেন ________।


৪। সত্য/মিথ্যা নির্ণয় করো :- ১ x ৪ = ৪ 


ক) নীলদর্পণ নাটক রচনা করেন মধুসূদন দত্ত।


খ) জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম সভাপতি ছিলেন উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।


গ) ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকি কিংসফোর্ডকে হত্যা করতে গিয়েছিলেন।


ঘ) ১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে রেলপথ নির্মাণের প্রকল্প শুরু হয়।


৫। দু-এক কথায় উত্তর দাও :- (যে কোনো চারটি) (২×৪=৮)


ক) ইয়ং বেঙ্গল কাদের বলা হত?

Ans : - উনিশ শতকে বাংলায় পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের ফলে হিন্দু কলেজের অধ্যাপক হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও-র নেতৃত্বে একদল যুবক হিন্দুসমাজ ও ধর্ম সংস্কারের কাজে বিশেষ খ্যাতিলাভ করে। ডিরোজিও ও তাঁর অনুগামী যুবগোষ্ঠী ‘নব্যবঙ্গ’ বা ইয়ং বেঙ্গল’ নামে পরিচিত।


খ) দাক্ষিণাত্য হাঙ্গামা কী?

Ans : - কৃষির বাণিজ্যিকীকরণের প্রভাবের ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিলেন। আমেরিকার গৃহযুদ্ধের প্রভাবে কার্পাস তুলোর চাহিদা বেড়ে যায়। দাক্ষিণাত্যে তুলোর চাষ  প্রবলভাবে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু যুদ্ধ থেমে গেলে ১৮৭০ সাল নাগাদ তুলোর চাহিদা একদম কমে যায়। ফলে কৃষক সমাজ দারুণ দুর্দশার মুখে পড়ে—এর সুবিধা নেয় সাহুকার শ্রেণি। তারা চাষিদের ঋণ দেওয়ার বিনিময়ে ফসলের ওপর নিয়ন্ত্রণ কায়েম করত। এর বিরুদ্ধে দাক্ষিণাত্যের তুলো চাষিরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। দাক্ষিণাত্যে এই সাহুকার বা মহাজনদের দখলে থাকা কাগজপত্র বিদ্রোহীরা পুড়িয়ে দেয়। আহমদনগর ও পুনা জেলায় এই বিদ্রোহ তীব্র আকার ধারণ করে। ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দের মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা ওই বিদ্রোহকে 'দাক্ষিণাত্য হাঙ্গামা' বলা হয়।


গ) কত খ্রিষ্টাব্দে, কাদের উদ্যোগে বিধবাবিবাহ সংঘটিত হয়?

Ans : - পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অক্লান্ত প্রচেষ্টা ও উদ্যোগে ১৮৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুলাই 'হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন' (Hindu Widows' Remarriage Act, 1856) পাস হয়।


ঘ) কত খ্রিষ্টাব্দে এবং কোথায় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়?

Ans : - ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৮শে ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।এটি তৎকালীন বোম্বে (বর্তমান মুম্বাই) শহরের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজে প্রতিষ্ঠিত হয়।


ঙ) ‘হিউম-ডাফরিন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ কী?

Ans : - মার্কসবাদী ঐতিহাসিক রজনীপাম দত্ত তাঁর ‘ইন্ডিয়া টুডে' গ্রন্থে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের উৎপত্তি সম্পর্কে বলেন যে, গণ অসন্তোষ ও বিক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকে রক্ষার উদ্দেশ্যে বড়লাট ডাফরিন-এর নির্দেশে ও সহযোগিতায় হিউম জাতীয় কংগ্রেসের মতো একটি নিয়মতান্ত্রিক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। ভারতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার এই তত্ত্ব হিউম ডাফরিন তত্ত্ব নামে পরিচিত। তবে ডঃ রমেশচন্দ্র মজুমদার, অনিল শীল প্রমুখ এই তত্ত্বের বিরোধিতা করেছেন।


৬। সংক্ষেপে উত্তর দাও :- (যে কোনো চারটি) (৩×৪=১২)


ক) কৃষির বাণিজ্যকীকরণ বলতে কী বোঝো?

Ans : - কৃষির বাণিজ্যিকীকরণ বলতে বোঝায় নিজ ব্যবহারের পরিবর্তে বাণিজ্যের জন্য ফসল উৎপাদন করা । ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতে এটি শুরু হয়েছিল।এর ফলে বাণিজ্যের কাজে প্রয়োজন বিভিন্ন ফসলের গুরুত্ব বেড়েছিল।যেমন, চা, নীল, পাট, তুলো প্রভৃতি।

খ) সম্পদের বহির্গমন কাকে বলে?

Ans : - ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশির যুদ্ধের পরবর্তী পর্যায়ে ব্রিটিশ কোম্পানি ভারতের বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদ ব্রিটেনে স্থানান্তরিত করে।তার পরিবর্তে ভারতের কোনো অর্থনৈতিক উন্নতি করেনি।এইভাবে দেশের সম্পদ বিদেশে চালান হওয়াকেই ‘সম্পদের বহির্গমন’ বলে।বাস্তবে ভারতে সম্পদ বহির্গমনের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ শাসন স্পঞ্জের মতো কাজ করত । ভারত থেকে সম্পদ শুষে ব্রিটেনে পাঠিয়ে দেওয়া হত ।

গ) স্যার সৈয়দ আহমদের সংস্কারগুলির প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?

Ans : - স্যার সৈয়দ আহমদের উদ্দেশ্য ছিল মুসলমান সমাজের অগ্রগতি ঘটানো। তিনি মুসলিম সমাজকে কুসংস্কার মুক্ত ও আধুনিক করে তোলার প্রচেষ্টা করেছিলেন। ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে মুসলমানদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা জনপ্রিয় করার জন্য তিনি উদ্যোগ নেন। আধুনিক যুক্তিবাদ ও বিজ্ঞানের বই উর্দু ভাষার অনুবাদ করা হয়। যুক্তিবাদ ও বিজ্ঞানের চোখ দিয়ে তিনি  কোরানকে ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন। পুরোনো প্রথা ও যুক্তিহীন অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধেও তিনি মতপ্রকাশ করেন।

ঘ) কংগ্রেসের সুরাট অধিবেশন সম্পর্কে বর্ণনা করো।

Ans : - কংগ্রেসের সুরাট অধিবেশন ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে সুরাটে অনুষ্ঠিত হয়। এই অধিবেশনটি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে কংগ্রেস দুইটি ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়— নরমপন্থী (Moderates) এবং চরমপন্থী (Extremists)।

নরমপন্থীরা ধীরে ধীরে সংস্কারের মাধ্যমে স্বাধীনতা লাভ করতে চাইতেন, অন্যদিকে চরমপন্থীরা তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন। সভাপতিত্ব নিয়ে বিরোধ (রাসবিহারী ঘোষকে সভাপতি করার প্রশ্নে) এবং মতবিরোধের কারণে অধিবেশনটি ভেঙে যায়।

ফলে, সুরাট অধিবেশনের মাধ্যমে কংগ্রেসে বিভাজন ঘটে, যা স্বাধীনতা আন্দোলনের গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

ঙ) নীল বিদ্রোহ সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।

Ans : - নীল বিদ্রোহ ১৮৫৯-৬০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার কৃষকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন ছিল। ইংরেজ নীলকর সাহেবরা কৃষকদের জোর করে নীল চাষ করাতে বাধ্য করত এবং খুব কম দামে নীল কিনত। ফলে কৃষকরা চরম শোষণের শিকার হত।


এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে কৃষকরা বিদ্রোহ শুরু করে এবং নীল চাষ করতে অস্বীকার করে। বিভিন্ন স্থানে তারা সংগঠিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। শিক্ষিত সমাজ ও সংবাদপত্রও এই আন্দোলনকে সমর্থন করে।


শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ সরকার নীল চাষের অত্যাচার তদন্তের জন্য নীল কমিশন গঠন করে এবং নীল চাষ অনেকাংশে বন্ধ হয়ে যায়।


৭। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :- (যে কোনো দুটি) (৫×২=১০)


ক) ঔপনিবেশিক ভারতে টেলিগ্রাফ ব্যবস্থার বিকাশ আলোচনা করো।


খ) সমাজ সংস্কাররূপে রাজা রামমোহন রায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান সংক্ষেপে লেখো।


গ) ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে চরমপন্থী মতবাদের উত্থানের কারণ আলোচনা করো।


ঘ) ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দের বিদ্রোহের কারণ ও ফলাফল আলোচনা করো।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ

Enter Your Comment

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)