West Bengal Class 8 Geography 3rd Unit Question Answer 2026
তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন Class 8 ভূগোল / Ostom Shrenir Vugol Titiyo Porjaikromik Test 2026
Class VIII Geography 3rd Unit Test Question Answer 2026 / তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন Class 8 Geography Question Paper
WBBSE Class 8 Geography 3rd Unit Test Question Paper 2026
অষ্টম শ্রেণি ভূগোল সাজেশন ২০২৬ । WBBSE Class 8 Geography Third Unit Test Question Paper 2026
Class Eight Third Unit Test Model Question Paper 2026
১. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে কেবল উত্তর লেখো :- (১ × ৮ = ৮)
১.১. বেলেপাথরের রূপান্তরের নাম হল —
(ক) নিস
(খ) মার্বেল
(গ) কোয়ার্টজাইট
(ঘ) অ্যাস্ফিবোলাইট
১.২. বায়ুমণ্ডলের যে স্তরে মেঘের সৃষ্টি হয়, তা হল —
(ক) ট্রপোস্ফিয়ার
(খ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
(গ) মেসোস্ফিয়ার
(ঘ) আয়নোস্ফিয়ার
১.৩. পৃথিবীর সর্বাধিক জীববৈচিত্র্য দেখা যায় যে জলবায়ু অঞ্চলে, তা হল —
(ক) নিরক্ষীয়
(খ) মৌসুমী
(গ) ভূমধ্যসাগরীয়
(ঘ) তুন্দ্রা
১.৪. এস্কিমোদের ব্যবহৃত নৌকার নাম হল —
(ক) ইগলু
(খ) কায়াক
(গ) টিউপিক
(ঘ) শ্লেজ
১.৫. ‘Earth Summit’ অনুষ্ঠিত হয়েছিল —
(ক) ১৯৮২ সালে
(খ) ১৯৮৮ সালে
(গ) ১৯৯০ সালে
(ঘ) ১৯৯২ সালে
১.৬. উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা যে ভূখণ্ড দ্বারা পৃথক, তার নাম —
(ক) সুয়েজ ক্যানেল
(খ) বেরিং প্রণালী
(গ) পানামাযোজক
(ঘ) জিব্রাল্টার প্রণালী
১.৭. ‘মেলানেশিয়া’ শব্দের অর্থ হল —
(ক) বহুদেশ
(খ) কালোদেশ
(গ) ক্ষুদ্রদেশ
(ঘ) দক্ষিণের দেশ
১.৮. ওশিয়ানিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম —
(ক) মাউন্ট কুক
(খ) মাউন্ট মৌনালোয়া
(গ) মাউন্ট ম্যাকিনলে
(ঘ) মাউন্ট উইলহেলম
২. শুদ্ধ অথবা অশুদ্ধ লেখো (৫টি) :- (১ × ৫ = ৫)
২.১. অভিসারী পাত সীমানা ভূমিকম্প প্রবণ।
২.২. শিশির হল অধঃক্ষেপণের একটি রূপ।
২.৩. হোমিওস্ট্যাটিক পদ্ধতিতে পৃথিবীর ভারসাম্য বজায় থাকে।
২.৪. ল্যাব্রাডর স্রোতের প্রভাবে উত্তর আমেরিকার উত্তর উপকূল বরফে ঢাকা থাকে।
২.৫. কিউই পাখির ডানা আছে কিন্তু উড়তে পারে না।
২.৬. তুন্দ্রা জলবায়ু অঞ্চলে ঋতু পরিবর্তন হয় না।
৩. উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো (৫টি) :- (১ × ৫ = ৫)
৩.১. সিয়াল ও সিমা স্তরের মাঝে আছে ........................ বিযুক্তিরেখা।
৩.২. ........................ বন্দরকে ‘নিশীথ সূর্যের দেশ’ বলে।
৩.৩. রকি পার্বত্য অঞ্চলে প্রবাহিত উষ্ণ স্থানীয় বায়ু ........................ নামে পরিচিত।
৩.৪. ........................ মালভূমি অঞ্চলকে ‘ভারতের খনিজ ভাণ্ডার’ বলে।
৩.৫. G-20 দেশের সবচেয়ে দূষিত ২০টি শহরের মধ্যে ভারতেই ........................ শহর আছে।
৩.৬. মারে ও ডার্লিং নদী ........................ শহরের কাছে মিলিত হয়েছে।
৪. একটি পূর্ণবাক্যে উত্তর লেখো (৫টি) :- (১ × ৫ = ৫)
৪.১. ‘মহীসঞ্চরণ তত্ত্ব’-এর প্রবক্তা কে?
৪.২. সেলভা অরণ্যের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা জাতীয় সড়কপথের নাম কী?
৪.৩. ‘মৌসুমী’ শব্দের অর্থ কী?
৪.৪. ‘WHO’-এর পুরো কথা লেখো।
৪.৫. পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী কোনটি?
৪.৬. আমেরিকার কোন শহরকে ‘রূপোর শহর’ বলে?
৫. বাম স্তম্ভ ও ডান স্তম্ভ মেলাও :- (১ × ৩ = ৩)
(দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে নম্বরিংয়ে সামান্য মুদ্রণত্রুটি ছিল, এটি ৩ নম্বরের ম্যাচিং)
|
বাম স্তম্ভ |
ডান স্তম্ভ |
|
৫.১. লৌহ-ইস্পাত শিল্পের রাজধানী |
(ক) উৎকৃষ্ট পশম প্রদায়ী মেষ |
|
৫.২. পৃথিবীর কসাইখানা |
(খ) মারামবিজি |
|
৫.৩. পম্পাস |
(গ) লা-প্লাটা |
|
৫.৪. মেরিনো |
(ঘ) শিকাগো |
|
৫.৫. মারে নদী |
(ঙ) গ্যারি |
৬. দু-এক কথায় উত্তর দাও (৪টি) :- (২ × ৪ = ৮)
৬.১. পাত সীমান্ত কয় প্রকার ও কী কী?
৬.২. নিরক্ষীয় অঞ্চলে কোন্ ধরণের বৃষ্টিপাত হয়? এবং কোন্ মেঘ এই বৃষ্টির জন্য দায়ী?
৬.৩. কোন্ অঞ্চলকে ‘পৃথিবীর ফলের ঝুড়ি’ বলে? এখানকার প্রধান ফল কী?
৬.৪. পরিবেশ দূষণ ও পরিবেশ অবনমনের মধ্যে তফাৎ কী?
৬.৫. আমাজন নদীর উৎস ও মোহনার নাম লেখো।
৬.৬. ‘আর্টেজীয় কূপ’ বলতে কী বোঝো?
৭. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (৩টি) :- (৩ × ৩ = ৯)
৭.১. কেন্দ্রমণ্ডলের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
৭.২. মেরু অঞ্চলে অধিবাসীদের বর্তমান জীবনযাত্রায় কী কী পরিবর্তন এসেছে?
৭.৩. পরিবেশ অবনমন রোধ করতে শিক্ষার্থীর তিনটি ভূমিকা উল্লেখ করো।
৭.৪. কানাডার কাগজ শিল্পে উন্নতির তিনটি কারণ ব্যাখ্যা করো।
৭.৫. ওশিয়ানিয়ার আঞ্চলিক বিভাগগুলি উল্লেখ করে প্রতিটি বিভাগের একটি করে দ্বীপের উদাহরণ দাও।
৮. যে কোনো ৪টি প্রশ্নের উত্তর দাও :- (৫ × ৪ = ২০)
৮.১. সংজ্ঞা ও উদাহরণসহ আগ্নেয় শিলার শ্রেণীবিভাগের বর্ণনা দাও।
৮.২. পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো অক্ষাংশগত বিস্তৃতি উল্লেখ করে চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
৮.৩. মৌসুমী ও ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করো।
৮.৪. পরিবেশ অবনমনের কারণ ও ফলাফল লেখো।
৮.৫. উত্তর আমেরিকার যে কোনো একটি ভূপ্রাকৃতিক বিভাগের বিবরণ দাও।
৮.৬. মারে-ডার্লিং অববাহিকার কৃষি ও পশুপালন ব্যবস্থার পরিচয় দাও।
৯. প্রদত্ত পৃথিবীর মানচিত্রে উপযুক্ত চিহ্নসহ নীচের স্থানগুলি দেখাও :- (১ × ৫ = ৫)
৯.১. রকি পর্বত
৯.২. আমাজন নদী
৯.৩. ওয়াশিংটন ডি.সি.
৯.৪. গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ
৯.৫. কুক প্রণালী
৮. যে কোনো ৪টি প্রশ্নের উত্তর দাও :- (৫ × ৪ = ২০)
৮.১. সংজ্ঞা ও উদাহরণসহ আগ্নেয় শিলার শ্রেণীবিভাগের বর্ণনা দাও।
Ans : - উত্তর :- আগ্নেয় শিলা হলো ভূগর্ভস্থ বা ভূ-পৃষ্ঠে ম্যাগমা বা লাভা শীতল ও কঠিন হয়ে যে শিলা সৃষ্টি হয়। উৎপত্তিস্থান ও গঠনের প্রকৃতির ভিত্তিতে আগ্নেয় শিলাকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়—
i. আন্তঃক্ষিপ্ত বা পাতালীয় আগ্নেয় শিলা (Intrusive/Plutonic Rock):
ভূগর্ভের গভীরে ম্যাগমা ধীরে ধীরে শীতল হয়ে এই ধরনের শিলা সৃষ্টি করে। শীতল হতে বেশি সময় লাগায় সাধারণত বড় বড় স্ফটিক তৈরি হয়।
উদাহরণ: গ্রানাইট, গ্যাব্রো।
ii. উদ্বেধী বা বহিঃক্ষিপ্ত আগ্নেয় শিলা (Extrusive/Volcanic Rock):
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মাধ্যমে লাভা ভূ-পৃষ্ঠে এসে দ্রুত শীতল হয়ে এই ধরনের শিলা সৃষ্টি করে। দ্রুত শীতল হওয়ার কারণে এদের স্ফটিক সাধারণত খুব ছোট হয়।
উদাহরণ: ব্যাসল্ট, অবসিডিয়ান।
সুতরাং, উৎপত্তিস্থানের ভিত্তিতে আগ্নেয় শিলা— (ক) আন্তঃক্ষিপ্ত এবং (খ) বহিঃক্ষিপ্ত—এই দুই ভাগে বিভক্ত।
৮.৩. মৌসুমী ও ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করো।
Ans : - মৌসুমী ও ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলি হল—
i. বৃষ্টিপাতের সময়ের দিক থেকে: মৌসুমী জলবায়ুতে প্রধানত গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত হয়। অপরদিকে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে প্রধানত শীতকালে বৃষ্টিপাত হয়।
ii. গ্রীষ্মকালের প্রকৃতির দিক থেকে: মৌসুমী জলবায়ুতে গ্রীষ্মকাল সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র হয়। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও শুষ্ক হয়।
iii. শীতকালের প্রকৃতির দিক থেকে: মৌসুমী জলবায়ুতে শীতকাল তুলনামূলকভাবে শুষ্ক ও শীতল। অন্যদিকে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে শীতকাল মৃদু ও আর্দ্র।
iv. বৃষ্টির কারণের দিক থেকে: মৌসুমী জলবায়ুতে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয়। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে শীতকালে পশ্চিমী বায়ু ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয়।
v. প্রধান কৃষিজ ফসলের দিক থেকে: মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলে ধান, পাট, চা ইত্যাদি ফসল বেশি চাষ করা হয়। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে আঙুর, জলপাই, কমলালেবু ও লেবুজাতীয় ফসল বেশি উৎপন্ন হয়।
৮.৪. পরিবেশ অবনমনের কারণ ও ফলাফল লেখো।
Ans : - পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে পরিবেশের গুণগত মানের অবনতি ঘটাকে পরিবেশ অবনমন বলে। এর প্রধান কারণ ও ফলাফলগুলি হল—
পরিবেশ অবনমনের কারণ :
১. জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ।
২. নির্বিচারে বনভূমি ধ্বংস।
৩. শিল্পকারখানা ও যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া ও ক্ষতিকর গ্যাস।
৪. নদী, পুকুর ও অন্যান্য জলাশয়ে বর্জ্য ফেলার ফলে জলদূষণ।
৫. অতিরিক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহার।
৬. প্রাকৃতিক সম্পদের অতিরিক্ত ও অপরিকল্পিত ব্যবহার।
৭. প্লাস্টিক ও অন্যান্য কঠিন বর্জ্যের যথেচ্ছ ব্যবহার ও ফেলা।
পরিবেশ অবনমনের ফলাফল :
১. বায়ু, জল ও মাটি দূষিত হয়।
২. জীববৈচিত্র্য ও বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর সংখ্যা কমে যায়।
৩. বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা বৃদ্ধি পায়।
৪. মাটির উর্বরতা হ্রাস পায় এবং কৃষিকাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৫. মানুষের বিভিন্ন রোগ ও স্বাস্থ্য সমস্যা বৃদ্ধি পায়।
৬. বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি বৃদ্ধি পেতে পারে।
৭. পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে মানুষের জীবনযাত্রা ও জীবজগতের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে।
৮.৫. উত্তর আমেরিকার যে কোনো একটি ভূপ্রাকৃতিক বিভাগের বিবরণ দাও।
Ans: - ভূ – প্রকৃতির তারতম্যের ভিত্তিতে উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় । যথা- ( i ) পশ্চিমের পার্বত্য অঞ্চল বা কর্ডিলেরা । ( ii ) মধ্যভাগের সমভূমি অঞ্চল । ( iii ) কানাডীয় বা লরেন্সীয় উচ্চভূমি । পশ্চিমে পার্বত্য অঞ্চল বা কর্ডিলেরাঃ এই অঙ্গটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের পশ্চিম প্রান্তে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূল বরাবর উত্তরে বেরিং প্রণালী থেকে শুরু করে দক্ষিণে পানামা খাল পর্যন্ত বিস্তৃত । এই কর্ডিলেরা আরও দক্ষিণ দিকে আদি নামে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে প্রসারিত হয়েছে । এই পার্বত্য অঞ্চলটি হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলের মতোই নবীন ভঙ্গিল পর্বত । প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাত ও উত্তর পাত এবং উত্তর আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের অভিসারী সীমানা বরাবর সংঘর্ষের ফলে এই নবীন ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে । এর মধ্যভাগ চওড়া ও দুটিগ্রান্ত ক্রমশ সরু হয়েছে । এখানকার প্রধান প্রধান পর্বতশ্রেণি কোস্ট রেঞ্জ , আলাস্কা রেঞ্জ , ব্রুকস রেঞ্জ । এদের মধ্যে আলাস্কা রেখের মাউন্ট ম্যাককিনলে ( 6 , 195 মি ) , এই পার্বত্য অঞ্চল তথা উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উচ্চতম শৃঙ্গ । এখানকার প্রবাহিত প্রধান নদীগুলি হল- ইউকন , কলোরাডো , কলম্বিয়া , ফ্রেজার ইত্যাদি । এগুলি পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে মিলিত হয়েছে ।
৮.৬. মারে-ডার্লিং অববাহিকার কৃষি ও পশুপালন ব্যবস্থার পরিচয় দাও।
Ans: - অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত মারে-ডার্লিং অববাহিকা দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষি ও পশুপালন অঞ্চল। মারে ও ডার্লিং নদী এবং তাদের উপনদীগুলিকে কেন্দ্র করে এই অববাহিকা গড়ে উঠেছে।
কৃষি ব্যবস্থা : এই অঞ্চলে উর্বর পলিমাটি এবং সেচের সুবিধার কারণে বিভিন্ন ধরনের কৃষিকাজ হয়। এখানে প্রধানত গম, যব, ওট, তুলা, আঙুর, কমলালেবু ও অন্যান্য ফল উৎপন্ন হয়। মারে ও ডার্লিং নদীর জল সেচের কাজে ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে শুষ্ক অঞ্চলে সেচনির্ভর কৃষির গুরুত্ব বেশি।
পশুপালন ব্যবস্থা : মারে-ডার্লিং অববাহিকার বিস্তীর্ণ তৃণভূমিতে ভেড়া ও গবাদি পশু পালন করা হয়। ভেড়া পালন এই অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কার্যকলাপ। ভেড়া থেকে উন্নত মানের পশম ও মাংস পাওয়া যায়। অনেক স্থানে কৃষিকাজের সঙ্গে পশুপালন মিলিয়ে মিশ্র কৃষি ব্যবস্থাও গড়ে উঠেছে।
সুতরাং, সেচনির্ভর কৃষি ও ব্যাপক পশুপালন মারে-ডার্লিং অববাহিকার অর্থনীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য।

.jpg)
Enter Your Comment