West Bengal Class 5 Bengali 3rd Unit Test Question Paper with Answers 2026 | পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন উত্তর তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন

0

পঞ্চম শ্রেণীর তৃতীয় ইউনিট টেস্টের বাংলা প্রশ্নপত্র 2026


West Bengal Class 5 Bengali 3rd Unit Test Question Paper with Answers 2026 | পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন উত্তর তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন



পশ্চিমবঙ্গের WBBSE Class 5 Bengali 3rd Unit Test 2026 পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই পোস্টটি তৈরি করা হয়েছে। এখানে শিক্ষার্থীরা Class 5 Bengali 3rd Unit Test Question Paper 2026, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, উত্তর এবং পরীক্ষাভিত্তিক Bengali Suggestion 2026 একসঙ্গে পাবে। যারা WBBSE Class 5 Bengali Third Unit Test Question Paper 2026 PDF Download, Class 5 Bengali Question Paper 2026 অথবা পঞ্চম শ্রেণির বাংলা ৩য় ইউনিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র 2026 খুঁজছেন, তাদের জন্য এই পোস্টটি উপকারী। এখানে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের পাশাপাশি MCQ, ব্যাকরণ, শব্দার্থ, পাঠ্যাংশ, রচনা এবং লিখিত প্রশ্নোত্তর-এর মতো পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশের প্রস্তুতির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


Class 5 Bengali 3rd Unit Test Question Paper with Answers 2026


Class 5 Bengali 3rd Unit Test Question Paper with Answers 2026 অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সম্ভাব্য প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে ধারণা পেতে পারবে। WBBSE Class 5 Bengali Question Answer 2026 প্রস্তুতির পাশাপাশি বাংলা বইয়ের প্রতিটি অধ্যায় ভালোভাবে পড়া এবং নিয়মিত প্রশ্নোত্তর অনুশীলন করাও গুরুত্বপূর্ণ।


Class 5 Bengali 3rd Unit Test Suggestion 2026

Class 5 Bengali 3rd Unit Test Suggestion 2026-এ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, পাঠ্যভিত্তিক প্রশ্নোত্তর, ব্যাকরণ, শব্দার্থ এবং লিখিত অংশের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও Class 5 Bengali 3rd Summative Exam Suggestion 2026 এবং Class 5 Bengali Final Exam Question Paper 2026 পরীক্ষার পরবর্তী প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও সহায়ক হতে পারে। Info Educations Class 5 Bengali Suggestion 2026 শিক্ষার্থীদের নিয়মিত practice, revision এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।


পঞ্চম শ্রেণির বাংলা ৩য় ইউনিট পরীক্ষা ২০২৬ / পঞ্চম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট বাংলা সাজেশন


Class - 5

Subject - Bengali

F.M - 50

Time - 2 Hours


১. সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো: (যে কোনো ৬টি) ১ × ৬ = ৬

১.১ 'মিষ্টি' কবিতাটি কার লেখা?

(ক) সুকুমার রায়
(খ) প্রেমেন্দ্র মিত্র
(গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম

১.২ 'তালনবমী' গল্পে গোপালের বয়স কত ছিল?

(ক) ৮ বছর
(খ) ১০ বছর
(গ) ১২ বছর
(ঘ) ১৫ বছর

১.৩ আকাশের দুই বন্ধু হল –

(ক) দুই পাখি
(খ) দুই চিল
(গ) পেটকাটা ও চাঁদিয়াল
(ঘ) দুটি মেঘ

১.৪ মাস্টারদার আসল নাম কী ছিল?

(ক) সূর্য সেন
(খ) সুভাষচন্দ্র বসু
(গ) ক্ষুদিরাম বসু
(ঘ) বিনয় বসু

১.৫ 'বোম্বাগড়ের রাজা' কবিতায় রাজা পিসিমাকে দিয়ে কী করান?

(ক) নাচ করান
(খ) গান শোনান
(গ) ফ্রেম বাঁধিয়ে রাখেন
(ঘ) রান্না করান

১.৬ বোম্বাগড়ের পিসিমা মাথায় কী চাপিয়ে রাখেন?

(ক) বালতি
(খ) আমসত্ত্ব
(গ) কুমড়ো
(ঘ) বালিশ

১.৭ চট্টগ্রাম শহরটি বর্তমানে কোথায় অবস্থিত?

(ক) ভারতে
(খ) বাংলাদেশে
(গ) নেপালে
(ঘ) ভুটানে


২. কমবেশি একটি বাক্যে উত্তর দাও: (যে কোনো ৬টি) ১ × ৬ = ৬

২.১ জোছনা রাতে বোম্বাগড়ে সবাই কী করে?

২.২ জটিপিসিমার বাড়িতে কী উৎসবের জন্য তালের প্রয়োজন হয়েছিল?

২.৩ চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের নায়ক কে ছিলেন?

২.৪ পেটকাটা ও চাঁদিয়াল কীভাবে মুক্তি পেল?

২.৫ মিষ্টি কবিতায় কোন পথে সহজেই গড়িয়ে পড়া যায়?

২.৬ লিমেরিক কবিতার রচয়িতা কে?

২.৭ চট্টগ্রাম শহরের টেলিগ্রাফ অফিসে কারা আগুন লাগিয়েছিল?


৩. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও: (যে কোনো ৪টি) ২ × ৪ = ৮

৩.১ “সে তখন একটা আবর্জনা। আবর্জনা নিয়ে কে আর দয়া দেখায়!”— এখানে আবর্জনা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৩.২ বর্ষারাতে গোপাল কী স্বপ্ন দেখেছিল? তার স্বপ্ন কীভাবে ভেঙে গিয়েছিল?

৩.৩ সূর্য সেনের কথা শুনলে ইংরেজ শাসকদের অবস্থা কেমন হতো?

৩.৪ "গড়িয়ে যেতে সে পথে যে / পায় মজা সে মুখখু!"— কবির মতে চড়াই-উৎরাই পথে চলার আনন্দ কোথায়?

৩.৫ ঘুড়ি দুটি কাটাকাটি হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত কী ঘটল?


৪. বিস্তারিত উত্তর দাও: (যে কোনো ২টি) ৪ × ২ = ৮

৪.১ 'মাস্টারদা' পাঠ্যাংশ অবলম্বনে সূর্য সেনের ব্যক্তিত্ব ও স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অবদানের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।

৪.২ 'তালনবমী' গল্পে গোপালের তাল কুড়ানোর অভিজ্ঞতা এবং তার মনে আশা-নিরাশার যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল, তা নিজের ভাষায় লেখো।

৪.৩ 'বোম্বাগড়ের রাজা' কবিতায় যেসব অদ্ভুত কাণ্ডকারখানার কথা বলা হয়েছে, তার পাঁচটি উদাহরণ দাও।


৫. নির্দেশ অনুসারে উত্তর দাও: ১ × ৫ = ৫

৫.১ পদ কয় প্রকার ও কী কী?

৫.২ “আমরা বিদ্যালয়ে যাই।” — এই বাক্যে 'আমরা' কোন পুরুষ? (উত্তম পুরুষ / মধ্যম পুরুষ / প্রথম পুরুষ)

৫.৩ লিঙ্গ পরিবর্তন করো: বিদ্বান।

৫.৪ পুংলিঙ্গবাচক শব্দ পরিবর্তন করে পুনরায় লেখো: “রমেশের দাদা একজন অধ্যাপক।”

৫.৫ সর্বনামের দ্বিত্ব প্রয়োগ ঘটেছে— এমন একটি বাক্যের উদাহরণ দাও।


৬. বিপরীত শব্দ লেখো: (যে কোনো ৪টি) ১ × ৪ = ৪

(ক) স্বাধীন

(খ) মিষ্টি

(গ) উঁচু

(ঘ) অন্ধকার

(ঙ) বিজ্ঞ


৭. পদ পরিবর্তন করো (বিশেষ্য থেকে বিশেষণ): (যে কোনো ৩টি) ১ × ৩ = ৩

(ক) দিন

(খ) গাছ

(গ) মন

(ঘ) রক্ত


উত্তর : - 

৬. বিপরীত শব্দ

(ক) স্বাধীন — পরাধীন
(খ) মিষ্টি — তিক্ত
(গ) উঁচু — নিচু
(ঘ) অন্ধকার — আলো
(ঙ) বিজ্ঞ — মূর্খ

৭. পদ পরিবর্তন করো — বিশেষ্য থেকে বিশেষণ

(ক) দিন — দৈনিক
(খ) গাছ — গাছপালা-সংক্রান্ত / বৃক্ষজাত
(গ) মন — মানসিক
(ঘ) রক্ত — রক্তাক্ত


৮. রচনা বা অনুচ্ছেদ লেখো: (যে কোনো ১টি) ১০ × ১ = ১০

(ক) একটি গাছ একটি প্রাণ

(খ) তোমার প্রিয় ঋতু

(গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর



উত্তর : - 


(ক) একটি গাছ একটি প্রাণ


গাছ আমাদের পরম বন্ধু। গাছ ছাড়া পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। মানুষ ও অন্যান্য জীবজন্তুর বেঁচে থাকার জন্য গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয় এবং বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। তাই গাছ বাতাসকে বিশুদ্ধ রাখতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, গাছ আমাদের ছায়া, ফল, ফুল, কাঠ, ঔষধ ও নানা প্রয়োজনীয় জিনিস দেয়। গরমের দিনে গাছের ছায়ায় বসলে শরীর ও মন দুটোই জুড়িয়ে যায়। পাখিরা গাছের ডালে বাসা বাঁধে এবং নানা প্রাণী গাছকে আশ্রয় হিসেবে ব্যবহার করে।

গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গাছপালা বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে এবং মাটির ক্ষয় রোধ করে। বনভূমি না থাকলে মাটি আলগা হয়ে বৃষ্টির জলে ধুয়ে যেতে পারে। গাছ আমাদের চারপাশের পরিবেশকে সুন্দর ও সবুজ করে তোলে। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, নারকেল, পেয়ারা ইত্যাদি নানা গাছ থেকে আমরা সুস্বাদু ফল পাই। নিম, তুলসীসহ অনেক গাছের ঔষধি গুণ রয়েছে। আবার গাছের কাঠ দিয়ে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, দরজা-জানালা এবং নানা প্রয়োজনীয় জিনিস তৈরি করা হয়। ফলে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে গাছের অবদান অনেক।

কিন্তু বর্তমানে মানুষের নানা প্রয়োজনের জন্য নির্বিচারে গাছ কাটা হচ্ছে। এর ফলে বনভূমি কমে যাচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি, বৃষ্টির অনিয়ম এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক সমস্যার সঙ্গে গাছপালা ধ্বংসের সম্পর্ক রয়েছে। তাই আমাদের বেশি করে গাছ লাগাতে হবে এবং লাগানো গাছের যত্ন নিতে হবে। অকারণে কোনো গাছ কাটা উচিত নয়। প্রত্যেক মানুষের উচিত নিজের বাড়ির আশপাশে, বিদ্যালয়ে এবং খালি জায়গায় গাছ লাগানো।

একটি গাছ শুধু একটি উদ্ভিদ নয়, এটি অসংখ্য প্রাণের আশ্রয় ও জীবনের অন্যতম অবলম্বন। তাই বলা হয়, “একটি গাছ একটি প্রাণ।” গাছকে ভালোবাসা এবং রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। আমরা যদি আজ গাছ লাগাই ও তার যত্ন নিই, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, সুস্থ ও সবুজ পৃথিবী রেখে যেতে পারব।



(খ) তোমার প্রিয় ঋতু

বাংলায় ছয়টি ঋতু—গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। প্রতিটি ঋতুর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তবে সব ঋতুর মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় ঋতু হল বসন্ত। বসন্তকে ঋতুরাজ বলা হয়। শীতের শেষে বসন্তের আগমন ঘটে। প্রকৃতিতে তখন এক অপরূপ পরিবর্তন দেখা যায়। চারদিকে নতুন পাতা, নানা রঙের ফুল এবং মিষ্টি বাতাসে পরিবেশ আনন্দময় হয়ে ওঠে। তাই বসন্ত এলেই আমার মন আনন্দে ভরে ওঠে।

বসন্তকালে প্রকৃতি যেন নতুন সাজে সেজে ওঠে। গাছের পুরোনো পাতা ঝরে গিয়ে নতুন পাতা গজায়। শিমুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া ও নানা ফুলে চারপাশ রঙিন হয়ে ওঠে। বাগানে মৌমাছি ও প্রজাপতির আনাগোনা বেড়ে যায়। কোকিলের মিষ্টি ডাক চারদিকে শোনা যায়। আকাশ সাধারণত পরিষ্কার ও সুন্দর থাকে। খুব বেশি গরম বা খুব বেশি ঠান্ডা থাকে না বলে বাইরে ঘোরাফেরা করতেও ভালো লাগে। সকালে হালকা বাতাস এবং ফুলের গন্ধ মনকে আনন্দ দেয়। প্রকৃতির এই সুন্দর রূপ আমাকে খুব আকৃষ্ট করে।

বসন্তকালে বিভিন্ন উৎসবও পালিত হয়। দোলযাত্রা ও বসন্ত উৎসব এই ঋতুর বিশেষ আকর্ষণ। মানুষ নানা রঙে আনন্দ করে এবং একে অপরকে শুভেচ্ছা জানায়। বিদ্যালয়ে বসন্ত উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানও হয়। এই সময়ে বন্ধুদের সঙ্গে বাগানে ঘুরতে, ফুল দেখতে এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে আমার খুব ভালো লাগে। বসন্তের মনোরম আবহাওয়া পড়াশোনা ও খেলাধুলার জন্যও বেশ আরামদায়ক।

বসন্ত আমার কাছে আনন্দ, সৌন্দর্য ও নতুন আশার প্রতীক। প্রকৃতির নতুন রূপ আমাকে সবসময় মুগ্ধ করে। এই ঋতু আমাদের মনে আনন্দের পাশাপাশি প্রকৃতিকে ভালোবাসার শিক্ষা দেয়। তাই ছয়টি ঋতুর মধ্যে বসন্তই আমার সবচেয়ে প্রিয়। বসন্তের আগমনে প্রকৃতি যেমন নতুন জীবন ফিরে পায়, তেমনই মানুষের মনেও নতুন আনন্দ ও উৎসাহ জেগে ওঠে।



(গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ও বিশ্ববিখ্যাত সাহিত্যিক। তিনি কবি, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, গীতিকার ও শিক্ষাবিদ হিসেবে অসাধারণ প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতা সারদা দেবী। ছোটবেলা থেকেই রবীন্দ্রনাথ সাহিত্য ও সংগীতের প্রতি গভীর আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। প্রচলিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার পাশাপাশি তিনি বাড়িতেই বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা লাভ করেন।

রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্মের সংখ্যা অনেক। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘মানসী’, ‘সোনার তরী’, ‘গীতাঞ্জলি’ প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি ‘গোরা’, ‘ঘরে বাইরে’ প্রভৃতি উপন্যাস এবং অসংখ্য ছোটগল্প রচনা করেছেন। তাঁর লেখা গান আজও মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। তাঁর রচিত ‘জন গণ মন’ ভারতের জাতীয় সংগীত। তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেন। ১৯১৩ সালে তাঁর ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনিই প্রথম এশীয় হিসেবে এই সম্মান লাভ করেন।

শুধু সাহিত্যচর্চা নয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও রবীন্দ্রনাথের অবদান অসামান্য। তিনি শান্তিনিকেতনে একটি আশ্রমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়। তিনি এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার কথা ভাবতেন যেখানে প্রকৃতির কাছাকাছি থেকে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সঙ্গে জ্ঞান অর্জন করতে পারবে। দেশ ও সমাজের নানা বিষয় নিয়েও তিনি সচেতন ছিলেন। তাঁর লেখায় দেশপ্রেম, মানবতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্য ও চিন্তাধারা আজও আমাদের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে তিনি বিশ্বের দরবারে সম্মানের আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর সৃষ্টি আমাদের জ্ঞান, সৌন্দর্য, মানবতা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দেয়। তাই তিনি শুধু বাংলার নয়, সমগ্র বিশ্বের একজন স্মরণীয় সাহিত্যিক। তাঁর অবদান বাঙালি জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।



CLASS 5 - 3RD UNIT TEST 2026


📚 সব বিষয়ের 4 টি করে প্রশ্নপত্রের SET

🔥 খুবই সুলভ মূল্যে!


📲 ONLY WHATSAPP - 8337875981

আজই সংগ্রহ করুন!



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ

Enter Your Comment

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)