Class 10 Geography 3rd Unit Test Question Paper with Answers 2026 PDF | মাধ্যমিক ভূগোল টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন সাজেশান

0

WBBSE Class 10 Geography 3rd Unit Test Question Paper 2026

Class 10 Geography 3rd Unit Test Question Paper with Answers 2026 PDF | মাধ্যমিক ভূগোল টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন সাজেশান


পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য Class 10 Geography 3rd Unit Test Question Paper 2026 এবং Madhyamik Geography Test Exam Question Paper 2025 প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে এই পোস্টটি তৈরি করা হয়েছে। এখানে West Bengal Board Class 10 Madhyamik Geography Question Papers, গুরুত্বপূর্ণ ভূগোলের প্রশ্ন, MCQ, সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্ন এবং পরীক্ষার উপযোগী উত্তর একসঙ্গে পাওয়া যাবে। যারা দশম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্টের ভূগোল প্রশ্নপত্র ও তার সমাধান খুঁজছেন, তাঁদের জন্য এই পোস্টটি বিশেষভাবে সহায়ক হবে। Class 10 Geography Third Summative Question and Answer 2026 অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, নম্বর বিভাজন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে পারবে। পাশাপাশি Class X Third Summative Question Paper 2026 Geography এবং Class 10 Geography 3rd Summative Model Question Paper অনুশীলন করলে পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও ভালো হবে।


West Bengal Board Class 10 Geography Question Papers 2026 Download


Madhyamik Geography Test Exam Question Paper 2026 অনুশীলন করা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বিগত বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করলে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, প্রশ্নের ধরন এবং উত্তর লেখার পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা তৈরি হয়। যেসব শিক্ষার্থী Download West Bengal Board Class 10 Geography Question Paper 2026 খুঁজছেন, তাঁরা এই পোস্টের মাধ্যমে ভূগোল বিষয়ের প্রশ্নপত্র ও সমাধান সংগ্রহ করতে পারবেন। নিয়মিত প্রশ্নপত্র অনুশীলন এবং সঠিকভাবে উত্তর লেখার অভ্যাস পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে সাহায্য করবে। Class 10 Geography 3rd Unit Test Question Paper 2026, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর এবং Geography Model Question Paper 2026 ভালোভাবে অনুশীলন করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ও থার্ড সামেটিভ পরীক্ষার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবে। তাই পরীক্ষার আগে প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পড়ার পাশাপাশি এই প্রশ্নপত্রটি সমাধান করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।


Class 10 Geography 3rd Summative Exam Preparation 2026


শ্রেণি: দশম (ভূগোল)

পূর্ণমান: ৯০

সময়: ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট 


WB Madhyamik Geography Suggestions 2026


বিভাগ – ক

১. বিকল্পগুলি থেকে সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো : ১×১৪=১৪


১.১ গৌর সৃষ্টি হয় যে প্রক্রিয়ার দ্বারা—

(ক) আরোহন

(খ) অবরোহন

(গ) পর্যায়ন

(ঘ) অগ্ন্যুৎপাত।


১.২ নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলে ঝড়ঝঞ্ঝা সৃষ্টি হয় যে দুটি স্রোতের প্রভাবে—

(ক) ওয়াশিয়ো ও কুরোশিয়ো

(খ) উপসাগরীয় ও ল্যাব্রাডর

(গ) ফকল্যান্ড ও ব্রাজিল স্রোত

(ঘ) ক্যানারি ও নিরক্ষীয় স্রোত।


১.৩ একটি তন্তু ফসলের উদাহরণ হল—

(ক) বাজরা

(খ) ভুট্টা

(গ) পাট

(ঘ) যব।


১.৪ সাধারণ অবস্থায় সমুদ্রপৃষ্ঠে আদর্শ বায়ুচাপের পরিমাণ হল প্রায়—

(ক) ১,০০৩ মিলিবার

(খ) ১,০১৩ মিলিবার

(গ) ১,০৩০ মিলিবার

(ঘ) ১,০৪৩ মিলিবার।


১.৫ প্রতিযোগ অবস্থান লক্ষ করা যায় যে তিথিতে, তা হল—

(ক) অষ্টমী

(খ) দশমী

(গ) পূর্ণিমা

(ঘ) অমাবস্যা।


১.৬ একটি জৈব অভঙ্গুর বর্জ্যের উদাহরণ হল—

(ক) পলিথিন

(খ) কাগজ

(গ) মৃতদেহ

(ঘ) ফলের খোসা।


১.৭ একটি শিকড় আলগা শিল্প হল—

(ক) লৌহ-ইস্পাত শিল্প

(খ) চিনি শিল্প

(গ) কার্পাস শিল্প

(ঘ) রবার শিল্প।


১.৮ ভারতের সবচেয়ে কম জনঘনত্বযুক্ত রাজ্য হল—

(ক) অরুণাচল প্রদেশ

(খ) গোয়া

(গ) উত্তরপ্রদেশ

(ঘ) পশ্চিমবঙ্গ।


১.৯ ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে বাদামি রং দ্বারা বোঝানো হয়—

(ক) উচ্চতা

(খ) নদী

(গ) সড়কপথ

(ঘ) রেলপথ।


১.১০ মরু অঞ্চলে অবস্থিত শুষ্ক নদী উপত্যকাকে বলা হয়—

(ক) বোলসন

(খ) ওয়াদি

(গ) প্লায়া

(ঘ) রেলপথ।


১.১১ চিনি শিল্প কারখানা থেকে নির্গত বর্জ্য পদার্থকে বলে—

(ক) লিচেট

(খ) ব্যাগাসি

(গ) ফ্লাই অ্যাশ

(ঘ) কার্বন।


১.১২ জলপ্রপাতের নীচে জলের আঘাতে সৃষ্ট বিশালাকার গর্তকে বলে—

(ক) মন্থকূপ

(খ) হাড়িয়াকূপ

(গ) প্রপাতকূপ

(ঘ) ক্যানিয়ন।


১.১৩ কমলালেবুর শহর বলা হয়—

(ক) বেঙ্গালুরু

(খ) নাগপুর

(গ) চণ্ডীগড়

(ঘ) দিল্লি।


১.১৪ ১৫′ × ১৫′ অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাযুক্ত ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের সংখ্যাসূচক মানচিত্রের সংখ্যাসূচক হতে পারে—

(ক) ৭৩

(খ) ৭৩A

(গ) ৭৩–১৫

(ঘ) ৭৩A/১৫।



বিভাগ – খ


২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :


২.১ নীচের বাক্যগুলি ‘শুদ্ধ’ না ‘অশুদ্ধ’ নির্ণয় কর : (ছয়টি) ১×৬=৬


২.১.১ শীতকালে হিমরেখার উচ্চতা হ্রাস পায়।

২.১.২ মেসোস্ফিয়ারে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়ে।

২.১.৩ নিক বিন্দুতে জলপ্রপাত গঠিত হয়।

২.১.৪ RADAR একটি সক্রিয় সংবেদক।

২.১.৫ ভারতের একটি বনজভিত্তিক শিল্প হল কাগজ শিল্প।

২.১.৬ অশিক্ষা দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য দায়ী নয়।

২.১.৭ উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের সঙ্গে হিমশৈল থাকে।


২.২ উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ কর : (ছয়টি) ১×৬=৬


২.২.১ হিমপ্রাচীর দেখা যায় ______ মহাসাগরে।

২.২.২ ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দু ______।

২.২.৩ পৃথিবীর ______ বলের প্রভাবে গৌণ জোয়ারের সৃষ্টি হয়।

২.২.৪ ল্যান্ডফিল থেকে উৎপন্ন একটি গ্যাস হল ______।

২.২.৫ ______ ভারতের বৃহত্তম লৌহ-ইস্পাত শিল্পকেন্দ্র।

২.২.৬ ______ শিল্পকে আধুনিক শিল্পদানব বলা হয়।

২.২.৭ বল উইভিল পোকা ______ চাষে ক্ষতি করে।


২.৩ একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও : (ছয়টি) ১×৬=৬


২.৩.১ ক্র্যাগের পশ্চাৎদেশের শিলাস্তূপের নাম কী?

২.৩.২ পেরিজি ও সিজিগির যৌথ অবস্থাকে কী বলে?

২.৩.৩ হিমালয় পর্বত কোন পর্বতগ্রন্থি থেকে উৎপন্ন হয়েছে?

২.৩.৪ ল্যান্ডফিলের বর্জ্য ধোয়া জলকে কী বলে?

২.৩.৫ উপগ্রহ চিত্রে অরণ্য কোন বর্ণে দেখানো হয়?

২.৩.৬ কোন তিথিতে মরা জোয়ার হয়?

২.৩.৭ কোন যন্ত্রের সাহায্যে বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা মাপা হয়?

২.৩.৮ জলপ্রবাহ দ্বারা মাটির ওপরের স্তর চাদরের আকারে অপসারিত হলে, তাকে কী বলে?


২.৪ বামদিকের সঙ্গে ডানদিক মিলিয়ে লেখো : ১×৪=৪


             বামদিক                    ডানদিক


২.৪.১ কুমায়ুন হিমালয়          (i) মহানদী

২.৪.২ আউটসোর্সিং              (ii) রেগুর মাটি

২.৪.৩ মহারাষ্ট্র                  (iii) নৈনিতাল

২.৪.৪ ওড়িশা                    (iv) তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প



বিভাগ – গ


৩. নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষণীয়) ২×৬=১২


৩.১ নগ্নীভবন কাকে বলে?

অথবা,

কার্যকরী সৌর বিকিরণ বলতে কী বোঝো?


৩.২ আপেক্ষিক আর্দ্রতার সংজ্ঞা দাও।

অথবা,

ঘূর্ণবাতের চক্ষু কী?


৩.৩ জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য কী?

অথবা,

স্ক্র্যাবার বলতে কী বোঝো?


৩.৪ মরুস্থলী বলতে কী বোঝো?

অথবা,

করমণ্ডল উপকূলে বছরে দুবার বর্ষাকাল হয় কেন?


৩.৫ ধারণযোগ্য উন্নয়ন কাকে বলে?

অথবা,

বহুমুখী নদী পরিকল্পনার সংজ্ঞা দাও।


৩.৬ ভূ-সমলয় উপগ্রহ বলতে কী বোঝো?

অথবা,

মিলিয়ন শিট বলতে কী বোঝো?



বিভাগ – ঘ


৪. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষণীয়) ৩×৪=১২


৪.১ অণুদৈর্ঘ্য ও বার্খান বালিয়াড়ির মধ্যে তিনটি পার্থক্য লেখো।

অথবা,

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের মধ্যে তিনটি পার্থক্য লেখো।


৪.২ নিষ্কাশন পদ্ধতির বিভিন্ন ধাপগুলি উল্লেখ করো ।

অথবা,

উপগ্রহ চিত্রের তিনটি ব্যবহার আলোচনা করো।


৪.৩ মৃত্তিকাক্ষয়ের তিনটি কারণ লেখো।

অথবা,

ভারতের পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম উপকূলের মধ্যে পার্থক্য লেখো।



৪.৪ উত্তর ভারত ও দক্ষিণ ভারতের নদীর পার্থক্য নির্ণয় করো।

অথবা,

ভূ-সমলয় ও সূর্য-সমলয় উপগ্রহের পার্থক্য লেখো।



বিভাগ – ঙ


৫.১ যে-কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৫×২=১০


৫.১.১ নদীর উচ্চগতিতে সৃষ্ট যে-কোনো তিনটি ভূমিরূপের উৎপত্তি চিত্রসহ ব্যাখ্যা করো।

৫.১.২ সমুদ্রস্রোতের উৎপত্তির কারণগুলি আলোচনা করো।

৫.১.৩ বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রার তারতম্যের পাঁচটি কারণ বর্ণনা করো।

৫.১.৪ মৌসুমি জলবায়ু ও ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর পার্থক্য আলোচনা করো।


৫.২ যে-কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৫×২=১০


৫.২.১ ভারতে ধান উৎপাদনের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশের বর্ণনা দাও।

উত্তর: ধান ভারতের একটি প্রধান খাদ্যশস্য। ভারতের অধিকাংশ মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। অনুকূল জলবায়ু, উর্বর মাটি, পর্যাপ্ত জল ও শ্রমিকের সহজলভ্যতার কারণে ভারতে ব্যাপকভাবে ধান চাষ করা হয়।


ধান উৎপাদনের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ:


১. জলবায়ু: ধান উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর ফসল। ধান চাষের জন্য ২০°–২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা আদর্শ। বীজ বপন ও চারা রোপণের সময় বেশি তাপমাত্রা এবং ধান পাকার সময় তুলনামূলকভাবে শুষ্ক ও রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া প্রয়োজন।


২. বৃষ্টিপাত: ধান চাষের জন্য সাধারণত ১০০–২০০ সেমি বৃষ্টিপাত প্রয়োজন। তবে কম বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে সেচের সাহায্যে ধান চাষ করা হয়। ধান চাষের সময় জমিতে জল ধরে রাখার প্রয়োজন হয়।


৩. মাটি: ধান চাষের জন্য পলি মাটি, দোআঁশ মাটি ও কাদামাটি বিশেষ উপযোগী। নদী উপত্যকা, ব-দ্বীপ অঞ্চল এবং সমভূমির উর্বর মাটিতে ধানের ফলন বেশি হয়।


৪. ভূমিরূপ: সমতল ভূমি ধান চাষের জন্য আদর্শ। সমতল জমিতে জল ধরে রাখা, জমি কর্ষণ এবং চারা রোপণ সহজ হয়। পাহাড়ি অঞ্চলে ধাপ চাষের মাধ্যমে ধান উৎপাদন করা হয়।


৫. শ্রমিক: ধান চাষ একটি শ্রমনির্ভর কৃষিকাজ। জমি প্রস্তুত করা, চারা রোপণ, আগাছা পরিষ্কার ও ফসল কাটার জন্য প্রচুর শ্রমিকের প্রয়োজন হয়।


৬. জলসেচ: পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হলে নদী, খাল, পুকুর, জলাধার ও নলকূপের সাহায্যে জমিতে জলসেচ করা হয়।


ভারতে ধান উৎপাদনের প্রধান অঞ্চল: পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, বিহার, তামিলনাড়ু ও অসম।


সুতরাং, উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, উর্বর মাটি এবং জলসেচের সুবিধা ভারতের ধান উৎপাদনের প্রধান অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ।


৫.২.২ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও ক্রান্তীয় মরু উদ্ভিদের অবস্থান গড়ে ওঠার পরিবেশ, বৈশিষ্ট্য ও প্রধান বৃক্ষগুলির নাম লেখো।

উত্তর: ভারতের জলবায়ুর বৈচিত্র্যের কারণে বিভিন্ন ধরনের স্বাভাবিক উদ্ভিদ দেখা যায়। ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও ক্রান্তীয় মরু উদ্ভিদ ভারতের দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাভাবিক উদ্ভিদ।

ক্রান্তীয় চিরহরিৎ উদ্ভিদ

অবস্থান গড়ে ওঠার পরিবেশ: ভারতের পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিম ঢাল, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের মেঘালয়, অসম ও অরুণাচল প্রদেশের অধিক বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে এই উদ্ভিদ দেখা যায়। এই অঞ্চলে বার্ষিক ২০০ সেমির বেশি বৃষ্টিপাত হয় এবং তাপমাত্রা সারা বছর উষ্ণ থাকে।


বৈশিষ্ট্য:

- গাছগুলি চিরসবুজ ও ঘন।

- গাছের উচ্চতা অনেক বেশি হয়।

- গাছের পাতা বড় ও চওড়া হয়।

- সূর্যের আলো পাওয়ার জন্য গাছগুলি প্রতিযোগিতা করে।

- একই বনে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ দেখা যায়।

প্রধান বৃক্ষ: মেহগনি, আবলুস, রোজউড, গর্জন, বাঁশ ও রবার।

ক্রান্তীয় মরু উদ্ভিদ

অবস্থান গড়ে ওঠার পরিবেশ: রাজস্থানের থর মরুভূমি, গুজরাটের কচ্ছ অঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিম পাঞ্জাব ও হরিয়ানার শুষ্ক অঞ্চলে এই উদ্ভিদ দেখা যায়। এই অঞ্চলে বার্ষিক বৃষ্টিপাত সাধারণত ৫০ সেমির কম হয়। তাপমাত্রা গ্রীষ্মকালে খুব বেশি এবং বাষ্পীভবনের হারও বেশি।


বৈশিষ্ট্য:

- গাছগুলি ছোট, কাঁটাযুক্ত ও ছড়ানো হয়।

- পাতাগুলি ছোট অথবা পাতার পরিবর্তে কাঁটা থাকে।

- শিকড় দীর্ঘ ও গভীর হয়।

- গাছের কাণ্ডে জল সঞ্চিত থাকে।

- জল সংরক্ষণের জন্য পাতার পৃষ্ঠে মোমের আবরণ থাকে।

প্রধান বৃক্ষ: বাবলা, খেজরি, ক্যাকটাস, ফণীমনসা, খেজুর ও ইউফোরবিয়া।


সুতরাং, বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে ভারতে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও ক্রান্তীয় মরু উদ্ভিদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও বিস্তার দেখা যায়।


৫.২.৩ ভারতবর্ষে নগরায়ণ সম্পর্কে যা জান লেখো এবং এর কারণগুলি সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তর:

নগরায়ণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনো দেশের জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান অংশ গ্রাম থেকে শহরে বসবাস করতে শুরু করে এবং শহরের সংখ্যা ও আয়তন বৃদ্ধি পায়। ভারতে স্বাধীনতার পর থেকে নগরায়ণের হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে নগরায়ণ দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে।


ভারতের কলকাতা, মুম্বাই, দিল্লি, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ ও পুনে প্রভৃতি শহর নগরায়ণের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। বর্তমানে শহরগুলি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের প্রধান কেন্দ্র।


ভারতে নগরায়ণের কারণগুলি:


১. শিল্পের বিকাশ: শিল্পাঞ্চলে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় গ্রামের মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য শহরে চলে আসে। ফলে শহরের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

২. ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার: শহরগুলি ব্যবসা-বাণিজ্য, বাজার ও আর্থিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র। তাই মানুষ জীবিকার সন্ধানে শহরে বসবাস শুরু করে।

৩. কর্মসংস্থানের সুযোগ: সরকারি ও বেসরকারি অফিস, ব্যাংক, তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা, পরিবহন ও পরিষেবা ক্ষেত্রে শহরে বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।

৪. শিক্ষা ও চিকিৎসা: উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা শহরে বেশি পাওয়া যায়। তাই গ্রাম থেকে মানুষ শহরে আসে।

৫. গ্রাম থেকে শহরে অভিবাসন: গ্রামে কৃষিকাজে কর্মসংস্থানের অভাব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দারিদ্র্যের কারণে বহু মানুষ শহরে চলে আসে।

৬. যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি: রেলপথ, সড়কপথ, মেট্রো ও বিমান পরিবহনের উন্নতি শহরের বিকাশকে ত্বরান্বিত করেছে।

৭. প্রশাসনিক গুরুত্ব: বিভিন্ন রাজ্যের রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলিতে জনসংখ্যা ও নগরায়ণ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।


সুতরাং, নগরায়ণ ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। তবে এর ফলে যানজট, বস্তি, দূষণ ও আবাসনের সমস্যাও সৃষ্টি হয়।


৫.২.৪ পশ্চিম ভারতে কার্পাস বয়ন শিল্পের বিকাশের কারণগুলি সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর:

কার্পাস বয়ন শিল্প ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্প। তুলা থেকে সুতো তৈরি এবং সেই সুতো দিয়ে কাপড় বোনার কাজকে কার্পাস বয়ন শিল্প বলে। ভারতের পশ্চিম অংশে, বিশেষত মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে এই শিল্পের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে। মুম্বাই, আহমেদাবাদ, সুরাট, পুনে ও নাগপুর এই শিল্পের উল্লেখযোগ্য কেন্দ্র।


পশ্চিম ভারতে কার্পাস বয়ন শিল্পের বিকাশের কারণগুলি হলো:


১. কাঁচামালের সহজলভ্যতা: মহারাষ্ট্র ও গুজরাট তুলা উৎপাদনের প্রধান অঞ্চল। ফলে কার্পাস বয়ন শিল্পের জন্য সহজেই কাঁচামাল পাওয়া যায়।


২. অনুকূল জলবায়ু: পশ্চিম ভারতের আর্দ্র উপকূলীয় জলবায়ু সুতো উৎপাদনের জন্য উপযোগী। আর্দ্র আবহাওয়ায় সুতো সহজে ছিঁড়ে যায় না।


৩. উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা: পশ্চিম ভারতে রেলপথ, সড়কপথ, বন্দর ও পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত। ফলে কাঁচামাল আনা ও উৎপাদিত বস্ত্র বাজারে পাঠানো সহজ হয়।


৪. বিদ্যুৎ ও শক্তির সুবিধা: জলবিদ্যুৎ ও তাপবিদ্যুতের সহজলভ্যতা শিল্পের বিকাশে সাহায্য করেছে।


৫. শ্রমিকের সহজলভ্যতা: জনবহুল অঞ্চল হওয়ায় এখানে প্রচুর দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিক পাওয়া যায়।


৬. মূলধন ও ব্যাংকিং সুবিধা: মুম্বাই ও আহমেদাবাদের মতো শহরগুলি আর্থিক কেন্দ্র হওয়ায় শিল্প স্থাপনের জন্য সহজে মূলধন পাওয়া যায়।


৭. বন্দরের সুবিধা: মুম্বাই বন্দর ও কাণ্ডলা বন্দরের মাধ্যমে বিদেশে বস্ত্র রপ্তানি এবং বিদেশ থেকে যন্ত্রপাতি আমদানি করা সহজ।


৮. বাজারের সুবিধা: পশ্চিম ভারতের ঘন জনবসতি ও উন্নত বাজার ব্যবস্থার কারণে উৎপাদিত বস্ত্রের চাহিদা বেশি।


সুতরাং, কাঁচামাল, শ্রমিক, মূলধন, পরিবহন, বিদ্যুৎ ও বাজারের সুবিধার জন্য পশ্চিম ভারতে কার্পাস বয়ন শিল্পের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে।



বিভাগ – চ


৬. ভারতের প্রদত্ত রেখা মানচিত্রে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উপযুক্ত নাম ও প্রতীক চিহ্নসহ চিহ্নিত করো : ১×১০=১০


৬.১ শিবালিক পর্বত।

৬.২ নর্মদা নদী।

৬.৩ মালাবার উপকূল।

৬.৪ ভারতের শুষ্কতম অঞ্চল।

৬.৫ উত্তর-পূর্ব ভারতের চা উৎপাদক অঞ্চল।

৬.৬ উত্তর ভারতের বৃহত্তম মহানগর।

৬.৭ বিশাখাপত্তনম বন্দর।

৬.৮ দক্ষিণ ভারতের ম্যাঞ্চেস্টার।

৬.৯ পশ্চিমবঙ্গের পেট্রোরসায়ন শিল্পকেন্দ্র।

৬.১০ বছরে দুবার বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চল।


Madhyamik 2027 Suggestions / 4 Set Question Paper


📚 সব বিষয়ের 4 টি করে প্রশ্নপত্রের SET / Chapter Wise Suggestions

🔥 খুবই সুলভ মূল্যে!


📲 ONLY WHATSAPP - 8337875981

আজই সংগ্রহ করুন!





একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ

Enter Your Comment

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)