Class 7 Geography First Unit Test Question Suggestion
Class 7 First Unit Test Exam Geography Suggestion 2026
প্রিয় ছাত্রছাত্রী, আশা করি তোমরা সবাই ভালো আছো। আজ তোমাদের জন্য Info Educations নিয়ে এসেছে সপ্তম শ্রেণীর ভূগোল / ক্লাস ৭ ভূগোল প্রশ্ন সাজেশান প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন প্রশ্নপত্র ২০২৬ । তোমাদের সপ্তম শ্রেণীর প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন / সপ্তম শ্রেণীর ভূগোল প্রশ্ন উত্তর পরীক্ষা হবে ৩০ নম্বরের, যার জন্য সময় বরাদ্দ থাকবে ৬০ মিনিট। সপ্তম শ্রেণী ভূগোল প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন প্রশ্নপত্র 2026 (Class Seven Geography Question Paper 1st Unit Test) তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাড়িতে বসে তোমরা সপ্তম শ্রেণী ভূগোল প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন সাজেশনটি (Soptom Shrenir Bhugol Prothom Porjaikromik Mulyaon Proshnopotro) ভালো করে প্র্যাকটিস করো। এই WBBSE Class 7 Geography Question Paper অনেক অভিজ্ঞ শিক্ষক/শিক্ষিকাদের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে তোমরা পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারো।
West Bengal Board Class 7 Geography 1st Unit Test Syllabus 2026
WBBSE Class VII Geography 1st Unit Test Syllabus 2026 / সপ্তম শ্রেণীর ভূগোল প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৬ এর সিলেবাস এ থাকছে তোমাদের প্রাকৃতিক ভূগোল : প্রথম অধ্যায় : পৃথিবীর গতি। দ্বিতীয় অধ্যায় : ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়। তৃতীয় অধ্যায় : বায়ুচাপ। আঞ্চলিক ভূগোল : নবম অধ্যায় : এশিয়া মহাদেশ।। Class 7 ভূগোল প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৬ পূর্ণমান - ৩০ লিখিত। যার জন্য সময় ১ ঘন্টা বরাদ্দ করে হয়েছে।
Class Seven Geography First Summative Question Paper with Answers
A. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো :— ১×৬ = ৬
(i) পৃথিবীর কক্ষপথটি –
(a) বৃত্তাকার
(b) উপবৃত্তাকার
(c) চৌকাকার
(d) গোলাকার
উত্তর : - (b) উপবৃত্তাকার
(ii) পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যেকার সর্বনিম্ন দূরত্বকে বলে –
(a) অনুসূর
(b) অপসূর
(c) বিষুব
(d) রবিমার্গ
উত্তর : - (a) অনুসূর
(iii) বিষুবরেখার অপর নাম –
(a) কর্কটক্রান্তি রেখা
(b) মকরক্রান্তি রেখা
(c) নিরক্ষরেখা
(d) মেরুদেশীয় রেখা
উত্তর : - (c) নিরক্ষরেখা
(iv) দক্ষিণমেরুর মান –
(a) ৯০° উঃ
(b) ৯০° দঃ
(c) ৯০° পূঃ
(d) ৯০° পঃ
উত্তর : - (b) ৯০° দঃ
(v) বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্রের নাম –
(a) ব্যারোমিটার
(b) হাইগ্রোমিটার
(c) থার্মোমিটার
(d) অ্যানিমোমিটার
উত্তর : - (a) ব্যারোমিটার
(vi) পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ –
(a) এশিয়া
(b) ইউরোপ
(c) আফ্রিকা
(d) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর : - (a) এশিয়া
B. সত্য / মিথ্যা চিহ্নিত করো :— ১×৫ = ৫
(i) এশিয়ার উচ্চতম শৃঙ্গ পর্বতশৃঙ্গ গডউইন অস্টিন।
উত্তর : - মিথ্যা (এশিয়ার উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট)
(ii) ককেশাস পর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হল এলবুজ।
উত্তর : - সত্য
(iii) সবথেকে বড়ো অক্ষরেখার নাম হল মূলমধ্যরেখা।
উত্তর : - মিথ্যা (সবচেয়ে বড় অক্ষরেখা হল বিষুবরেখা)
(iv) অক্ষরেখাগুলি পরস্পর সমান্তরাল কিন্তু সমান নয়।
উত্তর : - সত্য
(v) সমুদ্র সমতলে বায়ুর চাপ ৮৬ সেমিঃ পারদস্তম্ভের চাপের সমান।
উত্তর : - মিথ্যা (সঠিক মান ৭৬ সেমিঃ)
C. স্তম্ভ মেলাও :— ১×৪ = ৪
‘ক’ স্তম্ভ - ‘খ’ স্তম্ভ
1. বায়ু চাপ - (a) কুমেরু প্রভা
2. মেরু প্রভা - (b) চিন
3. হোয়াং হো - (c) সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়
4. নিরক্ষীয় অঞ্চল - (d) মিলিবার
উত্তর : -
1. বায়ু চাপ – (d) মিলিবার
2. মেরু প্রভা – (a) কুমেরু প্রভা
3. হোয়াং হো – (b) চিন
4. নিরক্ষীয় অঞ্চল – (c) সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়
D. এক কথায় উত্তর দাও :— ১×৫ = ৫
(i) পৃথিবীর ছাদ কাকে বলে?
উত্তর : - পামির মালভূমি
(ii) ‘তৈগা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : - শঙ্কুযুক্ত অরণ্য
(iii) ব্যারোমিটারে বায়ুর চাপ নির্ণয় করতে কী ব্যবহার করা হয়?
উত্তর : - পারদ
(iv) সুমেরু বৃত্তের মান কত?
উত্তর : - ৬৬½° উত্তর অক্ষাংশ
(v) কোন অঞ্চলে সারাবছর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়?
উত্তর : - নিরক্ষীয় অঞ্চলে
E. শূন্যস্থান পূরণ করো :— ১×৫ = ৫
(i) ডিসেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়ায় ______ ঋতু বিরাজ করে।
উত্তর : - গ্রীষ্মকাল
(ii) নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয় ______ কে।
উত্তর : - নরওয়ে
(iii) ২০০৫ সালে লিপইয়ার ______ ।
উত্তর : - ছিল না
(iv) ______ প্রদেশকে চীনের ধানের গোলা বলা হয়।
উত্তর : - হুনান (Hunan)
(v) জাপানের রাজধানীর নাম ______ ।
উত্তর : - টোকিও
F. যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ২ x ১ = ২
(i) সমচাপরেখা কাকে বলে? সমচাপরেখার দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর : - বছরের কোনো নির্দিষ্ট সময়ে ভূপৃষ্ঠের যেসব স্থানে সমান বায়ুচাপ বিরাজ করে (উচ্চভূমির বায়ুচাপকে সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুচাপে রূপান্তর করে), মানচিত্রে সেই স্থানগুলিকে যে রেখার মাধ্যমে যুক্ত করা হয় তাকে সমচাপরেখা বা সমপ্রেষরেখা বলা হয়।
বৈশিষ্ট্য :
১) উষ্ণতার সঙ্গে বায়ুচাপের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় অনেক ক্ষেত্রে সমচাপরেখাগুলি অক্ষরেখার সমান্তরালে বিস্তৃত হয়।
২) সমচাপরেখাগুলি যদি দূরে দূরে থাকে, তবে তা শান্ত ও স্থিতিশীল আবহাওয়ার নির্দেশ করে; আর রেখাগুলি যদি কাছাকাছি ও ঘনভাবে অবস্থান করে, তবে ঝড়-বৃষ্টি বা অস্থির আবহাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৩) সমচাপরেখাগুলি চক্রাকারে বিন্যস্ত হলে তাকে বায়ুচাপের কোষ বা বায়ুচাপ কক্ষ বলা হয়।
৪) সাধারণত জানুয়ারি (শীতলতম মাস) ও জুলাই (উষ্ণতম মাস)-এর সমচাপরেখা মানচিত্রে অঙ্কন করা হয়।
(ii) ইয়াংসি নদী অববাহিকার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কারণগুলি লেখো।
উত্তর : - ইয়াংসি অববাহিকার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কারণসমূহ :
[a] বিস্তীর্ণ সমতলভূমি হওয়ায় বসতি স্থাপন ও জীবনধারণের জন্য অঞ্চলটি অত্যন্ত উপযোগী।
[b] নবীন ও উর্বর পলিমাটি দ্বারা গঠিত হওয়ায় এটি একটি অত্যন্ত কৃষিসমৃদ্ধ অঞ্চল।
[c] অনুকূল ও মনোরম জলবায়ু কৃষিকাজ ও শিল্পোন্নয়নে বিশেষ সহায়তা করেছে।
[d] খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য, শিল্পের ব্যাপক বিকাশ এবং অধিক জনসংখ্যা এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।
[e] অভ্যন্তরীণ নৌপথ, উন্নত বন্দরব্যবস্থা এবং আধুনিক পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অঞ্চলটির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে।
G. যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৩ x ১ = ৩
(i) অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার তিনটি পার্থক্য লেখ।
উত্তর : - অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার পার্থক্য -
১. অক্ষরেখার অপর নাম সমাক্ষরেখা, আর দ্রাঘিমারেখার অপর নাম দেশান্তর রেখা।
২. অক্ষরেখাগুলি পূর্ব-পশ্চিম দিকে বিস্তৃত, কিন্তু দ্রাঘিমারেখাগুলি উত্তর-দক্ষিণ দিকে বিস্তৃত।
৩. অক্ষরেখাগুলি পরস্পরের সমান্তরাল, কিন্তু দ্রাঘিমারেখাগুলি পরস্পরের সমান্তরাল নয়; তারা দুই মেরুতে মিলিত হয়।
৪. অক্ষরেখাগুলি পূর্ণবৃত্তাকার, কিন্তু দ্রাঘিমারেখাগুলি অর্ধবৃত্তাকার।
৫. প্রতিটি অক্ষরেখার মান ০° থেকে ৯০° উত্তর ও ৯০° দক্ষিণ পর্যন্ত বিস্তৃত (মোট ১৮০°), আর দ্রাঘিমারেখার মান ০° থেকে ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিম পর্যন্ত (মোট ৩৬০°)।
৬. এক ডিগ্রি অন্তর মোট ১৭৯টি অক্ষরেখা (বিষুবরেখা বাদে) রয়েছে, আর এক ডিগ্রি অন্তর মোট ৩৬০টি দ্রাঘিমারেখা রয়েছে।
(ii) এশিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর অবস্থান, বৈশিষ্ট্য ও স্বাভাবিক উদ্ভিদের পরিচয় দাও।
উত্তর : - অবস্থান : এশিয়া মহাদেশে সাধারণত ৩০° থেকে ৪০° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে মহাদেশের পশ্চিম অংশে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু দেখা যায়। প্রধানত পশ্চিম এশিয়ার তুরস্ক, সিরিয়া, লেবানন ও ইসরায়েল প্রভৃতি দেশে এই জলবায়ুর প্রভাব লক্ষ করা যায়। ভূমধ্যসাগরের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলিতে এই জলবায়ুর বিস্তার সবচেয়ে বেশি।
বৈশিষ্ট্য :
১) এই জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল শীতকালে বৃষ্টিপাত এবং গ্রীষ্মকালে শুষ্ক ও উষ্ণ আবহাওয়া।
২) গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও শুষ্ক, আর শীতকাল মৃদু ও আর্দ্র।
৩) বার্ষিক বৃষ্টিপাত মাঝারি এবং অধিকাংশ বৃষ্টিই শীতকালে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে হয়।
৪) আকাশ সাধারণত পরিষ্কার থাকে এবং জলবায়ু স্বাস্থ্যকর ও মনোরম।
৫) এই জলবায়ু পৃথিবীর মোট স্থলভাগের অল্প অংশে (প্রায় ১.৭%) বিস্তৃত।
স্বাভাবিক উদ্ভিদ : ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে প্রধানত চিরহরিৎ ও শক্তপত্রবিশিষ্ট বৃক্ষ জন্মায়। যেমন— ওক, পাইন, সিডার, কর্ক ইত্যাদি। এছাড়া ঝোপঝাড় জাতীয় উদ্ভিদও প্রচুর দেখা যায়। বিভিন্ন অঞ্চলে এই গুল্মজাতীয় উদ্ভিদের আলাদা নাম রয়েছে, যেমন— ফ্রান্সে ম্যাকুই, ক্যালিফোর্নিয়ায় চ্যাপারেল এবং অস্ট্রেলিয়ায় ম্যালি।


Enter Your Comment