Class 8 History First Unit Test Question Suggestion Question and Answer
WBBSE Class 8 History 1st Unit Test Question Paper & Suggestion
প্রিয় ছাত্রছাত্রী, আশা করি তোমরা সবাই ভালো আছো। আজ তোমাদের জন্য Info Educations নিয়ে এসেছে Class 8 1st Unit Test Itihas Suggestion এবং অষ্টম শ্রেণীর প্রথম ইউনিট টেস্টের ইতিহাস বিষয়ের প্রশ্নপত্র ও উত্তর। তোমাদের অষ্টম শ্রেণীর প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন পরীক্ষা সাধারণত ৩০ বা ৪০ নম্বরের হয়ে থাকে এবং পরীক্ষার আগে ভালো প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজন সঠিক প্রশ্নপত্র ও সাজেশন। তাই এখানে দেওয়া প্রথম ইউনিট টেস্ট এর ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর এবং Class 8 History 1st Unit Test Model Question Paper 2026 ভালো করে প্র্যাকটিস করলে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়া অনেক সহজ হবে। এই প্রশ্নপত্রটি অভিজ্ঞ শিক্ষক/শিক্ষিকাদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছে যাতে তোমরা সহজভাবে প্রস্তুতি নিতে পারো এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারো।
West Bengal Board Class 8 History 1st Unit Test Syllabus 2026
WBBSE Class VIII History 1st Unit Test Syllabus 2026 / অষ্টম শ্রেণীর ইতিহাস প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৬ এর সিলেবাস এ থাকছে তোমাদের প্রথম অধ্যায় : ইতিহাসের ধারণা। (প্রথম অধ্যায় থেকে পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নে কোনো প্রশ্ন রাখা যাবে না ) দ্বিতীয় অধ্যায় : আঞ্চলিক শক্তির উত্থান। তৃতীয় অধ্যায় : ঔপনিবেশিক কৰ্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা । Class 8 ইতিহাস প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৬ পূর্ণমান - 30 লিখিত। যার জন্য সময় 60 মিনিট বরাদ্দ করে হয়েছে।
Ostom Shrenir Etihas Prothom Porjaikromik Mulyaon Proshno o Uttoor Alochona
1. সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো : 1×5 = 5
(i) ‘রাজাবলি’ গ্রন্থটি লিখেছিলেন –
(a) জেমস্ মিল
(b) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
(c) উইলিয়ম দানিয়েল
(d) লর্ড ক্লাইভ
উত্তর : - (b) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
(ii) ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে মুর্শিদকুলি খান ছিলেন বাংলার –
(a) দেওয়ান
(b) ফৌজদার
(c) নবাব
(d) জমিদার
উত্তর : - (a) দেওয়ান
(iii) ‘অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি’ স্বেচ্ছায় মেনে নিয়েছিলেন –
(a) টিপু সুলতান
(b) নিজাম
(c) দুপ্লে
(d) হায়দর আলি
উত্তর : - (b) নিজাম
(iv) শ্রীরামপুরে ব্যাপটিস্ট মিশন স্থাপিত হয় –
(a) 1784 খ্রীষ্টাব্দে
(b) 1800 খ্রীষ্টাব্দে
(c) 1817 খ্রীষ্টাব্দে
(d) 1824 খ্রীষ্টাব্দে
উত্তর : - (b) 1800 খ্রীষ্টাব্দে
(v) অন্ধকূপ হত্যার প্রচারক ছিলেন –
(a) রজার ড্রেক
(b) হলওয়েল
(c) অক্ষয়কুমার মৈত্র
(d) রবার্ট ক্লাইভ
উত্তর : - (b) হলওয়েল
2. নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : 1×5 = 5
(i) ‘The History of British India’ গ্রন্থটি কে, কবে লিখেছিলেন?
উত্তর : - The History of British India গ্রন্থটি লিখেছিলেন জেমস মিল, ১৮১৭ সালে।
(ii) ‘বক্সি’ কথার অর্থ কী?
উত্তর : - বক্সি কথার অর্থ হলো সৈন্যদের বেতন ও সামরিক বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা।
(iii) সলবাই-এর সন্ধি কত খ্রীষ্টাব্দে ও কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
উত্তর : - সলবাইয়ের সন্ধি ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও মারাঠাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
(iv) এশিয়াটিক সোসাইটি কে প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর : - এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন স্যার উইলিয়াম জোন্স (১৭৮৪ সালে)।
(v) পিটের ভারত শাসন আইন কবে বলবৎ হয়?
উত্তর : - পিটের ভারত শাসন আইন ১৭৮৪ সালে বলবৎ হয়।
3. স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো : 1×4 = 4
ক-স্তম্ভ - খ-স্তম্ভ
(i) লর্ড ওয়েলেসলি - (a) স্বত্ত্ববিলোপ নীতি
(ii) লর্ড ডালহৌসি - (b) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
(iii) এলিজা ইম্পে - (c) অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি
(iv) লর্ড কর্ণওয়ালিশ - (d) সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি
উত্তর : -
(i) লর্ড ওয়েলেসলি → (c) অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি
(ii) লর্ড ডালহৌসি → (a) স্বত্ববিলোপ নীতি
(iii) এলিজা ইম্পে → (d) সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি
(iv) লর্ড কর্ণওয়ালিশ → (b) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
4. নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : (যে কোন চারটি) 2×4 = 8
(i) সাম্রাজ্যবাদ কাকে বলে?
উত্তর : - সাম্রাজ্যবাদ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Imperialism। এই শব্দটি লাতিন “Imperium” শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ শাসন বা কর্তৃত্ব।
সাধারণভাবে সাম্রাজ্যবাদ বলতে বোঝায়—যখন কোনো শক্তিশালী রাষ্ট্র দুর্বল বা ছোট রাষ্ট্রের উপর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সামরিক প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে নিজের স্বার্থে সেই দেশকে শাসন ও শোষণ করে।
ভ্লাদিমির লেনিন-এর মতে, সাম্রাজ্যবাদ হলো পুঁজিবাদের একচেটিয়া পর্যায়। আবার জে. এ. হবসন মনে করেন, জাতীয়তাবোধ ও উপনিবেশ স্থাপনের প্রবণতা থেকেই পরবর্তীকালে সাম্রাজ্যবাদের বিকাশ ঘটে।
(ii) জেমস মিল এর লিখিত গ্রন্থের নাম কী? তিনি তাঁর ঐ বইতে ভারতের ইতিহাসকে কোন তিনটি ভাগে ভাগ করেছিলেন?
উত্তর : - জেমস মিল-এর লিখিত গ্রন্থের নাম The History of British India। এই গ্রন্থটি ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
এই গ্রন্থে তিনি ভারতের ইতিহাসকে তিনটি ভাগে ভাগ করেছিলেন—
১। হিন্দু যুগ
২। মুসলিম যুগ
৩। ব্রিটিশ যুগ
(iii) ‘পলাশীর লুণ্ঠন’ বলতে কী বোঝ?
উত্তর : - ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর মিরজাফর বাংলার মসনদে বসে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও ক্লাইভকে প্রভূত অর্থ ও নানা উপঢৌকন দিয়ে সন্তুষ্ট করতে বাধ্য হন। ফলে বাংলার রাজকোশ শূন্য হয়ে যায়। উপরন্তু কোম্পানি ও তাঁর কর্মচারীরা সম্ভাব্য সমস্ত উপায়ে বাংলার অর্থ সম্পদ শোষণ করতে থাকে। ঐতিহাসিকগণ একেই পলাশির লুণ্ঠন বলে অভিহিত করেছেন। তারা এক পরিসংখ্যানে দেখিয়েছেন যে বাংলা থেকে ১,৭৩,৯৬,৭৬১ টাকা ইংল্যান্ডে চলে গিয়েছিল পলাশির যুদ্ধের ঠিক পরেই।
(iv) ফাররুখশিয়রের ফরমানের মূল শর্তগুলি লেখ।
উত্তর : - ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট ফাররুখশিয়র ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি-কে একটি ফরমান প্রদান করেন। এই ফরমানের প্রধান শর্তগুলি ছিল—
i. কোম্পানি বাংলায় প্রায় শুল্কমুক্ত বাণিজ্যের অধিকার লাভ করে।
ii. কোম্পানি বার্ষিক নির্দিষ্ট অর্থ (প্রায় ৩০০০ টাকা) প্রদান করে বাণিজ্য করার অনুমতি পায়।
iii. কোম্পানি কলকাতার আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম ভাড়া বা ক্রয় করার অধিকার পায়।
iv. কোম্পানির কর্মচারীরা দস্তক ব্যবহার করে শুল্ক ছাড়াই পণ্য পরিবহন করতে পারত।
এই ফরমানের ফলে বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যিক ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পায়।
(v) লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্কের যে কোনো দুটি সংস্কার কার্যের উল্লেখ করো।
উত্তর : - লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক (১৮২৮-১৮৩৫) ভারতে আধুনিকীকরণের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করেছিলেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য দুটি সংস্কার হলো:
১. সতীদাহ প্রথা বিলোপ (১৮২৯): ১৮২৯ সালের ১৭ নম্বর আইন পাসের মাধ্যমে তিনি হিন্দু সমাজে প্রচলিত সতীদাহ প্রথা বা বিধবাদের স্বামী চিতায় পুড়িয়ে মারার অমানবিক প্রথা চিরতরে নিষিদ্ধ করেন ।
২. ইংরেজি শিক্ষার প্রসার (১৮৩৫): বেন্টিঙ্ক ১৮৩৫ সালে ইংরেজিকে সরকারি ভাষা এবং শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে প্রবর্তন করেন, যা ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার পথ প্রশস্ত করেছিল ।
(vi) কে এবং কেন সিভিল সার্ভিস চালু করেন?
উত্তর : - ভারতে সিভিল সার্ভিস চালু করেন লর্ড কর্ণওয়ালিশ।
তিনি প্রশাসনকে দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করেন। সিভিল সার্ভিসের মাধ্যমে শিক্ষিত ও যোগ্য ব্যক্তিদের প্রশাসনিক কাজে নিয়োগ করা হত, যাতে ব্রিটিশ শাসন আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা যায়।
(vii) ইজারাদারী ব্যবস্থা কাকে বলে?
উত্তর : - ব্রিটিশ শাসনকালে রাজস্ব আদায়ের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ কমিটি বিভিন্ন জেলায় ঘুরে জমির বন্দোবস্ত দিত। যে ব্যক্তি বা জমিদার সরকারকে সর্বোচ্চ পরিমাণ রাজস্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিত, তাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জমির রাজস্ব আদায়ের অধিকার দেওয়া হত। এই ব্যবস্থাকে ইজারাদারি ব্যবস্থা বলা হয়।
এই ব্যবস্থা চালু করেছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস।
5. নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : (যে কোন দুটি) 4×2 = 8
(i) ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ কেন হয়েছিল? এর ফলাফল লেখো। 2 + 2
উত্তর : - কারণ : -
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ১৭৭০ সালে বাংলায় সংঘটিত এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। এর প্রধান কারণগুলি হল—
a) দুর্ভিক্ষের সময়েও কোম্পানি রাজস্ব আদায় বন্ধ করেনি।
b) ১৭৬৯ সালে বৃষ্টি কম হওয়ায় ফসল নষ্ট হয় এবং খাদ্যসংকট দেখা দেয়।
c) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কৃষকদের উপর অত্যধিক খাজনা আরোপ করেছিল।
d) খাদ্যশস্যের মজুতদারি ও কালোবাজারির কারণে খাদ্যের দাম বেড়ে যায়।
ফলাফল : -
a) বাংলার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ দুর্ভিক্ষে মারা যায়।
b) বহু গ্রাম জনশূন্য হয়ে পড়ে।
c) কৃষি ও অর্থনীতি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
d) বাংলার জনসংখ্যা অনেক কমে যায় এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হয়ে পড়ে।
(ii) টীকা লেখ : মেকলের প্রতিবেদন
উত্তর : - ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দের ২ ফেব্রুয়ারি টমাস ব্যাবিংটন মেকলে জেনারেল কমিটি অব পাবলিক ইনস্ট্রাকশনের সভাপতি হিসেবে ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন বা মিনিটস পেশ করেন, যা মেকলের প্রতিবেদন (Macaulay’s Minute on Education) নামে পরিচিত।
এই প্রতিবেদনে মেকলে বলেন যে, ভারতে ইংরেজি শিক্ষার প্রচলন করে একটি ইংরেজি শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণি গড়ে তোলা উচিত। এই শ্রেণির মানুষ জন্মগতভাবে ভারতীয় হলেও তাদের চিন্তা, রুচি, আদর্শ ও নৈতিকতা হবে ব্রিটিশদের মতো—এমনটাই তিনি আশা করেছিলেন।
মেকলে তাঁর প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন যে, ভারতীয় ভাষায় শিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে সরকারি অনুদান দেওয়া উচিত নয়। তিনি সংস্কৃত ও প্রাচীন ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্ব কমিয়ে দেখান এবং পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের পক্ষে মত দেন।
এই প্রতিবেদনের ফলে ভারতে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটে এবং আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষাব্যবস্থার সূচনা হয়। তবে অনেক ঐতিহাসিকের মতে, এতে ভারতীয় ভাষা ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাব্যবস্থা অবহেলিত হয়েছিল।
(iii) দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার উপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখ।
উত্তর : - ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় দেওয়ানীর অধিকার লাভ করার ফলে যে ধরনের শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয় তাকে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা বলা হয়। বক্সারের যুদ্ধে মুঘল বাদশাহ শাহআলম পরাজিত হন। তাই বাস্তবিক বাধ্যবাধকতা থেকে তিনি ১৭৬৪ সালে এলাহাবাদের দ্বিতীয় সন্ধির মাধ্যমে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কে বছরে ২৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বাংলা, বিহার ,উড়িষ্যায় দেওয়ানীর অধিকার দেন।
ইতিপূর্বে নবাব আলীবর্দী খাঁ পর্যন্ত বাংলার নবাবেরা একই সঙ্গে দেওয়ানী অর্থাৎ রাজস্ব আদায় সংক্রান্ত অধিকার এবং সুবাদারি অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধিকার ভোগ করতেন। কোম্পানির দেওয়ানি লাভ এর ফলে দেওয়ানী অধিকার নবাবের হাতছাড়া হল। অর্থসংক্রান্ত অধিকার নবাবের হাতে না থাকায় নবাব ক্ষমতাহীন দায়িত্বধারীতে পরিণত হলেন। অন্যদিকে কোম্পানি দায়িত্বহীন, কিন্তু চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী হল। কোম্পানি তার কাজের জন্য রেজা খাঁ ও সিতার রায় কে নিযুক্ত করল।
দৈত্য শাসন মুঘল যুগের নতুন নয়। শক্তিশালী মুঘল শাসকের প্রাদেশিক শাসননীতিরই অঙ্গ ছিল দেওয়ান ও সুবাদর হিসেবে আলাদা লোক নিযুক্ত করা। তবে ইতিপূর্বে কোন বণিক কোম্পানির হাতে এইধরনের শাসনতান্ত্রিক ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়নি। দেওয়া হত কোনো দক্ষ কর্মচারীর হাতে।
যাইহোক দ্বৈত শাসনের ফলে ইংরেজরা রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে যথাসম্ভব টাকা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করল। ফলে বাংলার বুকে যা হয় তা বড়ই মর্মান্তিক। ১৭৭০ সালে ভয়ঙ্কর দুর্ভিক্ষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কোম্পানি এর দায় ভারতীয়দের ওরাই চাপায় এবং ১৭৭২ সালে দ্বৈতশাসন তুলে নেওয়া হয়।.

.jpg)
Enter Your Comment