WBBSE Class 6 Geography First Unit Test Question Paper with Answers । ষষ্ট শ্রেণীর ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর 2026

0

West Bengal Class 6 Geography 1st Unit Test Question Paper with Answers 2026 

WBBSE Class 6 Geography First Unit Test Question Paper with Answers । ষষ্ট শ্রেণীর ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর  2026


Info Educations ওয়েবসাইটে তোমাদের সবাইকে স্বাগত। তোমরা কি ক্লাস 6 ভূগোল প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন প্রশ্ন ও উত্তর খুঁজছো? তাহলে তোমরা সঠিক জায়গাতেই এসেছো। এখানে তোমরা পাবে Class 6 Geography 1st Unit Test Question Paper 2026–এর সম্পূর্ণ প্রশ্নপত্র ও উত্তর। পশ্চিমবঙ্গ মধ্য শিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত ষষ্ঠ শ্রেণির প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই West Bengal Class 6 1st Unit Test Geography Question Paper with Answers 2026 তোমাদের অনেক সাহায্য করবে। অনেক ছাত্রছাত্রী Class 6 geography 1st unit test syllabus 2026 অনুযায়ী পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নির্ভরযোগ্য প্রশ্ন ও উত্তর খুঁজে থাকে। সেই কারণেই আমরা এখানে তুলে ধরেছি Class 6 geography 1st unit test suggestion 2026 এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর।


Class 6 Geography 1st Unit Test Suggestion 2026


প্রিয় ছাত্রছাত্রী, আশা করি তোমরা সবাই ভালো আছো। আজ তোমাদের জন্য Info Educations নিয়ে এসেছে ষষ্ঠ শ্রেণির ভূগোল প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ সাজেশন। অনেক ছাত্রছাত্রী ষষ্ঠ শ্রেণী ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র 2026 এবং ষষ্ঠ শ্রেণি ভূগোল সাজেশন ২০২৬ প্রথম ইউনিট টেস্ট খুঁজে থাকে পরীক্ষার আগে অনুশীলনের জন্য। তাই এখানে দেওয়া হয়েছে Class 6 Bhugol 1st Unit Test Suggestion 2026 এবং সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর।

এই Class 6 geography 1st summative test question paper 2026 ও Class 6 geography 1st summative test suggestion 2026 অভিজ্ঞ শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের পরামর্শ অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে, যাতে তোমরা পরীক্ষার আগে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারো। তোমরা বাড়িতে বসে ষষ্ঠ শ্রেণীর ভূগোল প্রথম পরীক্ষার প্রশ্ন সাজেশন উত্তরসহ নিয়মিত প্র্যাকটিস করলে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। তাই পরীক্ষার আগে এই WBBSE Class 6 geography 1st unit test suggestion 2026 ভালো করে পড়ে নাও এবং প্রশ্নগুলো অনুশীলন করো।


West Bengal Board Class Six Geography 1st Unit Test Syllabus 2026


WBBSE Class VI Geography 1st Unit Test Syllabus 2026 / ষষ্ট শ্রেণীর ভূগোল প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৬ এর সিলেবাস এ থাকছে তোমাদের প্রথম অধ্যায় : আকাশ ভরা সূর্য তারা। দ্বিতীয় অধ্যায় : পৃথিবী কি গোল ? তৃতীয় অধ্যায় : তুমি কোথায় আছ ? চতুর্থ অধ্যায় : পৃথিবীর আবর্তন। ভারতের সাধারণ পরিচয় : ভারতের ভূ-প্রকৃতি ও নদ-নদী। Class 6 ভূগোল প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৬ পূর্ণমান - 30 লিখিত।  যার জন্য সময় 60 মিনিট বরাদ্দ করে হয়েছে।


Class VI Geography First Summative Test Question Paper 


১। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : (১×৬ = ৬)


(ক) মারিয়ানা সমুদ্রখাতটি কোন মহাসাগরে অবস্থিত?

উত্তর : - মারিয়ানা সমুদ্রখাতটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।

(খ) সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ কোনটি?

উত্তর : - সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ হল শুক্র গ্রহ।

(গ) ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?

উত্তর : - ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ হল আর্যভট্ট।

(ঘ) মহাকাশে যাওয়ার পোশাকের নাম কী?

উত্তর : - মহাকাশে যাওয়ার পোশাকের নাম স্পেস স্যুট (Space Suit)।

(ঙ) নেপচুনের রঙ নীল কেন?

উত্তর : - নেপচুন গ্রহের বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাস থাকার কারণে সূর্যের আলো শোষিত হয়ে নীল রঙ দেখা যায়।

(চ) কে প্রমাণ করেন সূর্যই সৌরজগতের কেন্দ্রে আছে?

উত্তর : - সূর্যই সৌরজগতের কেন্দ্রে আছে—এটি প্রমাণ করেন নিকোলাস কোপার্নিকাস।


২। সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখ : (১×৯ = ৯)


(ক) ইউরেনাসের উপগ্রহের সংখ্যা – ১৩ / ২৭ / ২ / ১

উত্তর : - ইউরেনাসের উপগ্রহের সংখ্যা – ২৭

(খ) পৃথিবীর নিরক্ষীয় ও মেরু ব্যাসের পার্থক্য – ৪২ / ৪৮ / ৬০ / ৭২

উত্তর : - পৃথিবীর নিরক্ষীয় ও মেরু ব্যাসের পার্থক্য – ৪২ কিমি

(গ) ১ ঘন্টা সময়কে ৬০ ভাগে ভাগ করলে পাওয়া যায় – ১ সেকেন্ড / ১১ সেকেন্ড / ১ মিনিট / মিনিট

উত্তর : - ১ ঘন্টা সময়কে ৬০ ভাগে ভাগ করলে পাওয়া যায় – ১ মিনিট

(ঘ) সংযোগকারী ভাষাটি হল – বাংলা / হিন্দি / ইংরেজি / উর্দু

উত্তর : - সংযোগকারী ভাষাটি হল – ইংরেজি

(ঙ) ভারতের দক্ষিণতম স্থল বিন্দুটি হল – কন্যাকুমারিকা / নিউ দিল্লী / শ্রীলঙ্কা / কেরালা

উত্তর : - ভারতের দক্ষিণতম স্থল বিন্দুটি হল – কন্যাকুমারিকা

(চ) পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ – মাউন্ট এভারেস্ট / মাকালু / ধবলগিরি / কাঞ্চনজঙ্ঘা

উত্তর : - পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ – কাঞ্চনজঙ্ঘা

(ছ) কৈলাস পর্বতের হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে – সিন্ধু নদী / গঙ্গা নদী / ব্রহ্মপুত্র / তিস্তা

উত্তর : - কৈলাস পর্বতের হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে – সিন্ধু নদী

(জ) মেঘালয় রাজ্যে রয়েছে – অযোধ্যা / বাঘমুন্ডি / গারো / শুশুনিয়া পাহাড়

উত্তর : - মেঘালয় রাজ্যে রয়েছে – গারো পাহাড়


৩। ‘ক’ স্তম্ভের সঙ্গে ‘খ’ স্তম্ভের মিল দেখাও : (১×৪ = ৪)


‘ক’ স্তম্ভ     - ‘খ’ স্তম্ভ

(i) দুটো পর্বতের মাঝের নীচু অংশ - (i) সিন্ধুর পাঁচটি উপনদী থেকে

(ii) জোজিলা  - (ii) ভারতের বিশ্ব-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য স্থান

(iii) ‘পাঞ্জাব’ শব্দটির উৎপত্তি - (iii) হিমালয়ের একটি গিরিপথ

(iv) খাজুরাহো হল - (iv) গিরিপথ (Pass)

উত্তর : - 

(i) দুটো পর্বতের মাঝের নীচু অংশ → গিরিপথ (Pass)

(ii) জোজিলা → হিমালয়ের একটি গিরিপথ

(iii) ‘পাঞ্জাব’ শব্দটির উৎপত্তি → সিন্ধুর পাঁচটি উপনদী থেকে

(iv) খাজুরাহো হল → ভারতের বিশ্ব-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য স্থান



4. নীচের যে-কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও : 3x1=3

(i) পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি পৃথিবীর মতো বলতে কী বোঝো ?

উত্তর : - পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়। মেরু অঞ্চলে সামান্য চাপা এবং নিরক্ষীয় অঞ্চলে কিছুটা স্ফীত। এই বিশেষ ধরনের আকৃতিকে Geoid বা পৃথিবীর মতো আকৃতি বলা হয়।

অর্থাৎ পৃথিবীর আকৃতি অনেকটা কমলালেবুর মতো—উপরে ও নিচে একটু চাপা এবং মাঝখানে কিছুটা ফুলে থাকা। তাই বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর এই আকৃতিকে পৃথিবীর মতো (Geoid) বলে থাকেন।


(ii) নিরক্ষরেখার মান কত? অক্ষরেখার দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।1+2

উত্তর : - নিরক্ষরেখার মান হলো 0° (শূন্য ডিগ্রি) । এটি পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে বিভক্তকারী প্রধান অক্ষরেখা। 

অক্ষরেখার বৈশিষ্ট্য
১) অক্ষরেখা গুলি হল কাল্পনিক পূর্ণবৃত্ত ।
২) অক্ষরেখা গুলি পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রসারিত হয়।
৩) অক্ষরেখা গুলির দৈর্ঘ্য নিরক্ষরেখা থেকে উভয় মেরুদ্বয়ের দিকে ক্রমশ ছোট হতে হতে দুই মেরুতে দুটি বিন্দুতে
পরিণত হয়।
৪) প্রত্যেকটি অক্ষরেখা নিরক্ষরেখার সাপেক্ষে ও পরস্পর সমান্তরাল হয়। এইজন্য একই অক্ষরেখায় অবস্থিত কোন স্থানের দূরত্ব নিরক্ষরেখা থেকে সর্বদা সমান হয়।
৫) অক্ষরেখার সর্বনিম্ন মান 0° এবং সর্বোচ্চ মান 90°


5. নীচের যে-কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও : 4x2=8

(i) ভূপ্রাকৃতিক অনুসারে ভারতকে সাধারণত কত ভাগে ভাগ করা হয় ও কী কী?

উত্তর : - ভূপ্রাকৃতিক অনুসারে ভারত-কে সাধারণত ৬টি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলি হল –

১। উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল (হিমালয় পর্বতমালা)

২। উত্তরের সমভূমি অঞ্চল

৩। দক্ষিণের মালভূমি অঞ্চল

৪। উপকূলীয় সমভূমি

৫। মরুভূমি অঞ্চল

৬। দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চল

এই ছয়টি প্রধান ভৌগোলিক বা ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলে ভারতের ভূমিরূপকে ভাগ করা হয়।


(ii) উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত গঙ্গা নদীর গতিপথ বর্ণনা কর।

উত্তর : - ভারতবর্ষ একটি নদীমাতৃক দেশ। ভারতের সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে ছোট বড়ো অসংখ্য নদী। যার মধ্যে ভারতের দীর্ঘতম ও প্রধান নদী হল গঙ্গা। এই গঙ্গা নদীর গতিপথ সম্পর্কে এখানে আলোচনা করা হলো। ভারতের শ্রেষ্ঠ ও দীর্ঘতম নদী গঙ্গার সমগ্র গতিপথ কে নদীর ক্ষয়, বহন ও সঞ্চয় কার্যের উপর ভিত্তি তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয় - পার্বত্য গতি, মধ্যগতি ও নিম্নগতি।


ক) গঙ্গার উৎপত্তি ও পার্বত্য গতি - গঙ্গা নদী কুমায়ুন হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহের গোমুখ গুহা থেকে ভাগীরথী নামে উৎপন্ন হয়ে প্রথমে পশ্চিমে এবং পরে দক্ষিণের সংকীর্ণ গিরিখাতের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দেবপ্রয়াগের কাছে অলকানন্দার সঙ্গে মিলিত হয়েছে এবং এই দুই মিলিত স্রোত গঙ্গা নামে পরিচিত হয়েছে। গঙ্গোত্রী থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত প্রায় 320 কিলোমিটার গঙ্গার উচ্চ বা পার্বত্য প্রবাহ। 


খ) গঙ্গার মধ্যগতি - গঙ্গা নদী দেবপ্রয়াগ থেকে প্রথমে পশ্চিমে এবং পরে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে নাগটিব্বা ও শিবালিক পর্বত অতিক্রম করে  হরিদ্বারের কাছে সমভূমিতে অবতরণ করেছে এবং প্রথমে দক্ষিণে এবং পরে দক্ষিণ পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ ও বিহার রাজ্যের মধ্যে অবস্থিত গঙ্গার মধ্যগতিতে বহু উপনদী এসে মিশেছে। তাদের মধ্যে রামগঙ্গা, গোমতী, ঘর্ঘরা, গন্ডক, কোশী প্রভৃতি নদীগুলি হল গঙ্গার বাম তীরের উপনদী। গঙ্গার ডান তীরস্থ উপনদী গুলির মধ্যে যমুনা ও শোন উল্লেখযোগ্য। গঙ্গার উপনদী ও শাখা নদী গুলোর মধ্যে যমুনা শ্রেষ্ঠ। হরিদ্বার থেকে পশ্চিমবঙ্গের ধুলিয়ান পর্যন্ত গঙ্গার মধ্য গতি।


গ) গঙ্গার নিম্নগতি - পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় গঙ্গার দ্বিধাবিভক্ত হয়ে ভাগীরথী (পশ্চিমবঙ্গে) ও পদ্মা (বাংলাদেশে) নামে যথাক্রমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। এখান থেকেই গঙ্গার নিম্নগতি ও বদ্বীপ প্রবাহের শুরু। ভাগীরথী ও পদ্মার মধ্যবর্তী সুন্দরবন বদ্বীপ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ব-দ্বীপ। মুর্শিদাবাদ শহর থেকে হুগলি শহর পর্যন্ত গঙ্গার নাম ভাগীরথী এবং হুগলি শহর থেকে মোহনা পর্যন্ত গঙ্গার নাম হুগলি নদী। গঙ্গার নিম্ন প্রবাহে পূর্ব ও পশ্চিম থেকে বহু নদী এসে মিলিত হয়েছে, যেমন - দ্বারকা, ময়ূরাক্ষী, অজয়, দামোদর, রূপনারায়ণ, কংসাবতী, জলঙ্গী, মাথাভাঙ্গা প্রভৃতি। 

(iii) ‘হিমালয়' কথার অর্থ কী? ভারতের দীর্ঘতম হিমবাহের নাম কী? দুন ও তরাই বলতে কী ?

উত্তর : - 

১। ‘হিমালয়’ কথার অর্থ :

হিমালয় শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। এখানে ‘হিম’ অর্থ বরফ এবং ‘আলয়’ অর্থ বাসস্থান বা আবাস। তাই ‘হিমালয়’ কথার অর্থ বরফের বাসস্থান।


২। ভারতের দীর্ঘতম হিমবাহ :

ভারতের দীর্ঘতম হিমবাহ হল সিয়াচেন হিমবাহ।


৩। দুন ও তরাই :

দুন : হিমালয়ের দুটি পর্বতশ্রেণীর মাঝখানে অবস্থিত লম্বা ও সমতল উপত্যকাকে দুন বলা হয়।

তরাই : হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত জলাভূমি ও ঘন বনভূমি সমৃদ্ধ আর্দ্র সমতল অঞ্চলকে তরাই বলা হয়।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ

Enter Your Comment

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)